"উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
(ওয়েব ম্যাগাজিন)
প্রকাশ কাল:-01/06/2020, সোমবার
সময় :- সকাল 6 টা
সভাপতি:- অরুণ কুমার ঘড়াই
সহঃ সভাপতি:- সেক আব্দুল মজিদ
সম্পাদক এবং
প্রকাশক:- সেক আসাদ আহমেদ
যুগ্ম সহঃ সম্পাদক :-
১) ইমরান খাঁন
২) শেখ মণিরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় দপ্তর ::-
গ্রাম:- গাংপুরা ডাকঘর:- সাগরেশ্বর
থানা:- রামনগর জেলা:- পূর্ব মেদিনীপুর
সূচক-৭২১৪৪৬ পশ্চিমবঙ্গ ভারত
মুঠোফোন:- 9593043577
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা ফেসবুক আইডি লিঙ্কে ক্লিক করুন আর যুক্ত হন আমাদের সাথে
Click here
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপতে যুক্ত হন লিঙ্কে ক্লিক করে
Click here
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
আজকে উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগে যারা কলম ধরেছেন ✒✒✒✒✒✒✒✒✒✒✒ 👇👇👇
গল্প:-
•✒ ডঃ রমলা মুখার্জী
মুক্ত গদ্য:-
• ✒ কাশীনাথ সাহা
কবিতা:-
১) এ.কে.এম সোহাগ
২) গিয়াসুদ্দিন আহমেদ
৩) রহমতুল্লাহ লিখন
৪) অগ্নিমিত্র
৫) শুভঙ্কর দাস
৬) সোহিনী শবনম
৭) সমিত বিশ্বাস
৮) আব্দুল রাহাজ
৯) বটু কৃষ্ণ হালদার
১০) আব্দুর রহমান
১১) অরুপ দাস
১২) আব্দুল বাসেত
১৩) মিরাজুল সেখ
১৪) স্বপন কুমার রায়
১৫) চিরশ্রী কুন্ডু
১৬) প্রনব রুদ্র
১৭) মিঠুন রায়
১৮) অনাদি মুখার্জী
১৯) দেবার্ঘ্য ভট্টাচার্য্য
২০) বাপন দেব লাড়ু
২১) প্রদীপ কুমার দে
২২) সুমনা দাস
২৩) জুয়েল রূহানী
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগের জন্য
বিভাগ গল্প
জামাইষষ্ঠীর নিমন্ত্রণ
ডঃ রমলা মুখার্জী
হিন্দুদের মেয়ে তমসা কুলে কলঙ্ক লেপে পালিয়ে বিয়ে করল মুসলমানের ছেলে আজিজকে। কিন্ত বিধবা রমাদেবী তাঁর একমাত্র অবলম্বন তমসাকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলেন না। বিয়ে করে আজিজকে নিয়ে তমসা মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এলে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
ক্রমশ আজিজ যেন রমাদেবীর বড় আপন হয়ে উঠল।তমসাদের বাড়ির কাছেই আজিজদের বাড়ি, আজিজের বাবা আকবর আলির মাছের বড় ব্যবসা।
রমাদেবীকে আজিজের বাবা আকবর নিজে এসে ঈদের নিমন্ত্রণ করে গেছেন। রমাদেবী নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে অগত্যা গেলেন আজিজদের বাড়ি। খুব আদর আপ্যাায়ন করল ওরা। রমাদেবী নিরামিষ খান, তাই তমসা মায়ের জন্য ফিরনি, আলুর পরোটা, দই পটল, সিমুই আর নানারকম মিষ্টি নিয়ে হাজির হল। আজিজের মা ফতেমা বললেন, "আপনার মেয়ে ফিরনিটা করেছে, খেয়ে বলুন কেমন হয়েছে? ভারি ভালো মেয়ে আপনার, আল্লার অনেক দোয়া তমসাকে আমরা পেয়েছি।"
রমাদেবী বুঝলেন যে মেয়ে মুসলিম পরিবারের সাথে নিজেকে ভালোই খাপ খাইয়ে নিয়েছে। সমস্ত সংকোচ ঝেড়ে ফেলে রমাদেবী বললেন, "আকবর ভাই, আগামী আঠাশ তারিখ মানে আর তিন দিন বাদেই জামাইষষ্ঠী, আমি আজিজকে ষষ্ঠীর ফোঁটা দিয়ে জামাইষষ্ঠী পালন করব, আপনি মেয়েজামাইকে ঐদিন পাঠিয়ে দেবেন। আকবর বলে, "ওরা নিশ্চয়ই যাবে, আপনার মেয়ে যদি ঈদ পালন করতে পারে তো আজিজ কেন জামাইষষ্ঠীর উৎসবে যাবে না, নিশ্চয়ই যাবে।"
আজিজ আর তমসা যুগলে গেয়ে ওঠে, "মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান"......।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
মুক্ত গদ্য
আত্মদর্শন
কাশীনাথ সাহা
জানিনা কোনদিন কাউকে ভালবেসে ছিলাম কিনা। সেই কৈশোরে বাঁধন না মানা দিনে আকাশকে বন্ধু ভেবে উড়িয়ে ছিলাম ডানা। বুঝতে পারিনি কালবৈশাখীর আঘাত অপেক্ষা করছে কোন গোপনে। পেখম পুড়ছে। নেমে এসেছি জমিতে। জমি নয়,মাটি। রুক্ষ প্রান্তর। নিজেকে ভালবাসি কিনা,সেটাই বোধগম্য হলো না আজও। ভালবাসার অভিনয় করতে করতে অভিনয়টাই থেকে গেল। মুছে গেল ভালবাসার অহংকার। ধ্রুপদী সঙ্গীতের অ আ ক খ না শিখেই ঝাঁপিয়ে পড়লাম। জলে। জল নয় রাজনীতির আলোছায়ার এক মোহময় গোলকধাঁধায়। আগুন আর জলের মিলিজুলি সহবস্থান। তুমি আমাকে দেখ আমি তোমার কাঁধে রাখতে পারি হাত। পৃথিবীর সমস্ত আবর্জনা ডাকছে আয়,আয়,আয়। আমার কাছে নরকের মাহাত্ম্য আছে, কদর্যতা আছে, ঈর্ষা আছে ঘৃণা,আছে মুঠো ভর্তি তুলে দেব জনসেবক হবি আয়। তলিয়ে যেতে যেতেও হয়তো জীবনকে ছুঁতে ইচ্ছে করে যদি বাতাস দখিনা বয়।
কবিতার সবুজ পাতার প্রলাপ নিয়ে আবারও একটা পথ খুঁজে পেলাম। নেহাৎ এলেবেলে ঘরের ছেলে কবিতার ক- ও বুুঝিনা। শুধু জল দেখে ঝাঁপিয়ে পড়া। দু চার কলম লিখে দিলাম। কবিতা না গদ্য নাকি নেহাতই হজবরল। ছাপাও হয়ে গেল। মার দিয়া কেল্লা। মাষ্টারমশায় উস্কে দিলেন লিখে যা,তোর হবে। জানি কিসসু হচ্ছে না। কিন্তু ছাপা হচ্ছে। দুচার জন অবজ্ঞার চোখে, তাচ্ছিল্যের চোখে দেখছে। উড়নচণ্ডী বন্ধুও দু চারটা জুটে গেল। ওরাও কবিতা চর্চা করে। একা রামে রক্ষা নেই সুগ্রীব দোসর। একটা পত্রিকাও বের করে ফেললাম। বেশ বাহারি একটা নামও দিয়ে দিলাম রাঙাভূমি। খাচ্ছিল তাঁতি তাঁত বুনে কাল হলো তার এঁড়ে গরু কিনে! পাড়ার সদ্য কলেজে ওঠা মেয়ের চোখে বিস্ময় দেখে যেটুকু বাকী ছিল সেই সর্বনাশটাও হয়ে গেল। ভাতের থালায় শিউলি ফুল দেখি, বাতাসে মন উদাসের বিহ্বলতা, ধুসর আকাশে রামধনু । বুঝতে পারলাম আমার ষোলকলা পূর্ণ! তখন গরিমায় নরম মাটিতে পা পড়ে না, আবার শক্ত জমিতে হোঁচট খাই।
জেলার সাহিত্য সভায় গিয়ে চোখ ছানাবড়া। কি সুন্দর সুন্দর শাড়ি, পাঞ্জাবি, চুলের বাহার কতো! ময়ূরের মতো পেখম মেলে কবিতা পড়ছে কবিরা। কবিতা শুনবো কি কবিদের দেখতে দেখতেই দিন ফর্সা। নিজের পোশাক আর কবিতা নিয়ে পালিয়ে বাঁচি।
কবিদের সাথে ঘরকন্নাও হলো দু দশ বছর। কতো মাপের কতো প্রজাতির কবি দেখলাম। সাদাকালো কবি, রঙীন কবি, কবিতা না জানা কবি, সর্বজ্ঞ কবি, শহুরে কবি, গেঁয়ো কবি ( আমার মতো) দাম্ভিক কবি, চন্দ্রবিন্দু কবি, বিষয়ী কবি, হিসেবী কবি, মঞ্চ কবি, স্তাবক কবি, পুরস্কার প্রাপ্ত কবি। দেখে চোখ সার্থক হলো মন ভিজিয়াও ভিজিল না।তবুও কিছু সংস্পর্শে শিহরিত হয়েছি। কিছু অনুভবী উচ্চারণে সিক্ত হয়েছি। যদিও বুঝলাম আমার মতো আহাম্মকের দ্বারা সাহিত্য হলো, ভস্মে ঘি ঢালা। দূর আমার মতো উজবুককে দিয়ে আর যাই হোক কবিতা আর সাহিত্য হবে না। কাকে দিয়েছি রাজার পার্ট।
তবুও তো
ধুলো পায়ে এখনও পথ হাঁটছি। কবিতা লিখতে পারবো এই ভ্রান্ত বিলাসিতা নাই। মঞ্চে মঞ্চে শুধু একজন কবি খুঁজছি।এক জ্যোতির্ময় কবি। যাঁকে স্পর্শ করে একটু বিশ্বাস একটু ভালবাসা একটু নির্ভরতার জমিন খুঁজে পাবো। পাচ্ছি না। কোথাও পাচ্ছি না। শুধু দম্ভ আর জৌলুশ। বোধহীন অহংকার আর উজ্জ্বলতাহীন প্রতাপ। এখন আর কবি নয়,একটা মানুষ খুঁজে চলেছি। একটা মাটির গন্ধ মাখা নির্ভার মানুষ । জানি আছে আমার পাশাপাশিই আছে, শুধু আমার অন্তর্দৃষ্টি নেই তাই চিনে নিতে পারছি না।
প্রভূ আমাকে একটু অর্ন্তদৃষ্টিতে শুদ্ধ করো তুমি।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
বিভাগ : কবিতা
কবিতা:-প্রিয় তুমি নজরুল
🖋️এ.কে.এম.সোহাগ
বিদ্রোহের প্রতীক তুমি নজরুল
স্বরাজের নেশায় বুদ তুমি নজরুল
স্বদেশ প্রেমে মত্ত তুমি নজরুল
স্বাধীনতার বার্তাবাহী তুমি নজরুল
সাম্রাজ্য বিরোধী সত্তায় তুমি নজরুল
সাম্যবাদের সৈনিক তুমি নজরুল
সাম্প্রদায়িকতার উদ্ধে তুমি নজরুল
সম্প্রতির বাঁধন রুপী তুমি নজরুল
প্রলয়শিখার মাঝে তুমি নজরুল
প্রলয়োল্লাসের কান্ডারী তুমি নজরুল
প্রভাতের ভৈরবীতে তুমি নজরুল
প্রজম্মের প্রতীক তুমি নজরুল
ভালোবাসার মূর্তরূপে তুমি নজরুল
সর্বহারার মাঝে মূর্ত তুমি নজরুল
ছাত্রদলের কান্ডারী তুমি নজরুল
নবযুগের উদগাতা তুমি নজরুল
মুক্তির শিকল ভেদী তুমি নজরুল
বিরহের কণ্ঠে ধ্বনিত তুমি নজরুল
ধর্মরাজের দণ্ডরূপে তুমি নজরুল
মুটে মজুদের রক্তে তুমি নজরুল
কালজয়ী কবি তুমি নজরুল
রক্ত লেখনীতে তুমি নজরুল
দুই বাংলার আত্মায় তুমি নজরুল
ভাগ হয়েছে বাংলা হয়নি নজরুল।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
'উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ'
কবিতা__--: আশা :--
গিয়াসুদ্দিন আহমেদ
পূব গগনে উঠিল রবি,
ভেদিয়া সকল প্রকার কালো।
ছড়িয়ে নানা রঙিন ছবি,
সাথে নিয়ে আশার আলো।
আস্তে আস্তে বাড়ল বেলা,
পড়ল মাথায় বয়সের বোঝা।
শুরু হল ওঠা-নামা খেলা,
দাঁড়িয়ে থাকা নয়তো সোজা।
জীবনের ঐ বিকেল বেলায়,
সকল হিসাব হল শুরু।
কাটিয়েছি কি জীবন হেলায়!
এখন ভাবি সবই মরু।
শেষ বেলায় বিছানায় পড়ে,
জীবনের কোন নেই তো ভরসা।
দেহ খানি আর নাহি নড়ে,
কতটা পূর্ণ হল জীবনের 'আশা'?
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
হীরক রাজার নতুনোপাখ্যান
রহমতুল্লাহ লিখন
বাগানে থাকুক দাঁড়কাক
কোকিলের জায়গা জলে,
আমার রাজ্যে আমারই নিয়মেই চলে।
জি হুজুর; হ্যাঁ হুজুর; চলুক হুজুর!
সত্য বললে হবে সাজা
মিথ্যাতে নর্তকী দিবে মজা।
আমার জমিনে তাল গাছে ঝুলবে খেজু্র,
তাই তো হুজুর; হবে হুজুর; ঝুলুক হুজুর!
রাজ্যে প্রতিবাদ!এ আবার কিসের আবাদ?
কান্না ভিন্ন প্রজার কি দরকার অন্য কোন স্বাদ।
নদী খালে বিলে ভাসবে লাশ
শাপলা পদ্ম হবে টবে চাষ প্রচুর,
আলবত হুজুর;সেটাই হুজুর; বেশ তো হুজুর!
মুচি বেটা করেছে চুরি
ঝলাও ফাঁসিতে, বেটার নেই কেনো ভূড়ি?
মন্ত্রীর বাড়িতে রাধবে পায়েশ ,
আরও আরও দাও দুধ চিনি গুড়।
সাবাস হুজুর; মহান হুজুর; জো হুকুম হুজুর!
ন্যায়ের কথা বলে নাকি লোকে,
চাষা ভূষা ন্যায়ের কি বোঝে?
জ্ঞানীর কেবল ঘুমই সাজে।
দালান গড়ো করে মুটে মজুরের হাড় ভাংচুর
খুবসুরাত হুজুর; হবেই হুজুর; মহান হুজুর!
দেশে আমার সূর্য উঠাও পশ্চিমে
দুপুর বেলায় চাঁদ দেখাও,
বিকাল বেলায় রোদ উঠুক সবদিনে।
মন্ত্রীসব, আজ থেকে নেই মরার নেই কোন ভয়,
জয়! হীরক রাজার জয়; জয়! হীরক রাজার জয়!
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
বৃষ্টি হয় না
- অগ্নিমিত্র ( ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য)
এখানে তো বৃষ্টি হয় না;
এখানে প্রাণ ঊষর ..
নেই তাতে মায়া মমতার বর্ষণ ।
নেই জীবনের অনুরণন
এখানে যে বৃষ্টি হয় না।
কালো মেঘ তো নেই মনের আকাশে
আছে রৌদ্রের পরুষ খরতাপ ।..
হাওয়া দূর থেকে হেসে বলে
'এখানে যে বৃষ্টি হয় না!'
বৃষ্টি হয়েছিল একদিন
তার শীতল স্পর্শে মন জুড়িয়েছিল ;
সেই বৃষ্টি না চাইতে পাওয়া
তাই হয়েছিল অবহেলা
এখন তাই বোধহয় খুব চাইলেও
এখানে তো বৃষ্টি হয় না!! ...
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
শিরোনাম : আগমনী
কলমে : শুভঙ্কর দাস
শিউলি ফুলের গন্ধে যেন ভরে গেল মন;
শুভ শীতল কাশের শোভায় জুড়ল দু- নয়ন।
আগমনের বার্তা বয়ে বাজছে ঢাকের সুর;
শারদীয়ার দিনগুলো হয়ে উঠুক আনন্দ মধুর।
ঢাকের আওয়াজ ঢাঁই কুর-কুর;
শোনা যায় ওই আগমনীর সুর।
মায়ের আবার আসার পালা;
শুরু হল মজার খেলা।
নীল আকাশে মেঘের ভেলা;
পদ্ম ফুলের পাপড়ি মেলা।
ঢাকের তালে কাশের খেলা;
আনন্দে কাটুক শারদ মেলা।
তাই নিয়ে এই সুখী মন;
জানাই শেষে আগাম অভিনন্দন।
আসছে বছর আবার হবে;
কে জানে কোথায় রবে।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
আত্মরক্ষা
সোহিনী শবনম
আত্মরক্ষার্থে প্রকৃতি যদি
হরণ করে কিছু প্রাণ,
সেটা তো পাপ নয়
হবে না কোনো শাস্তি প্রদান।
দূষণ বাড়ছে মুহুর্মুহু,
সীমাহীন বৃক্ষচ্ছেদন।
মানব তথা জীব-জগৎ বাঁচানোর স্বার্থে,
তাই আজ প্রকৃতির হৃদয় কঠিন।
সেও তো মা!
শাসন করা তার প্রাথমিক অধিকার।
ঝড়-ঝাপটায় শাস্তি দিয়ে তার,
চোখের জল ধারণ করেছে বৃষ্টির আকার।
মায়ের কথা একটু ভাবো
বাঁচাও তাকে যেন তেন প্রকারেন,
তার অস্তিত্বেই তোমার জীবন
বিলুপ্তিতে তোমার মরণ।
জীবন বিমা করো ভবিষ্যতের জন্য,
প্রকৃতি তার মূল উৎস ভুলে যেও না কখনও।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাতহিক বিভাগ
নয়ন জল
সমিত বিশ্বাস
সবুজ আঁচল দে না মাগো
মুছে ফেলি নয়ন জল
কী করে আজ সহ্য করি
নষ্ট হচ্ছে ধরাতল ৷
লুকিয়ে কাঁদবি কত মা তুই
চলছে মরণ খেলার হুড়োহুড়ি
আর যে আমি সইতে নারি
বিশ্ব গ্রাসে মহামারি ৷
করছে সব অনাসৃষ্টি
কেটে দিয়ে বৃক্ষরাজি
ভেঙে দিয়ে স্রষ্টার কৃষ্টি
তাদের জীবন রাখছে বাজি ৷
বুক ভরা প্রেম দিয়ে
শ্রেষ্ঠ করে মানুষ গড়ে
কি পেলি মা তুই বল?
তারা থাকে অনেক দুরে ৷
নিজের মত সুখের ঘরে
পৃথিবী ডুবুক রসাতল
তারা সব স্বার্থপরে
মুছাবেনা মা তোর নয়ন জল ৷
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
কবিতা
অসহায়
আব্দুল রাহাজ
ওরা ক্ষুধার্ত ওরা যেন ভিক্ষুক
সমাজের দ্ধারে কোথাও যেন ওরা এক কোন অবস্থায় পড়ে আছে।
সুখ দুঃখ কষ্ঠে প্রতিনিয়ত জীবন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কাটে ওদের।
দুবেলা-দু মুঠো খেতে পাওয়ার তাগিদে
চোখে মানুষের দ্বারে দ্বারে।
তবুও মানুষ যেন বিবেকহীন আচরণ করে ওদের সাথে। আহারে ছেলেমেয়েদের হাহাকার তাদের ক্ষুধার জ্বালা
ধনীদের মাথা ব্যাথা হয়ে ওঠে।
সাহায্যের পরিবর্তে ওদের শুনতে হয় নানান কটু কথা
তারা যে অসহায় অসহায় মানুষ তা বুঝেনা
তাই ওরা আজ অসহায় অসহায়
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
কবিতা
হৃদয়ের নৌকা খানি
বটু কৃষ্ণ হালদার
অমরত্বের আশায় তোমার হৃদয়ে ভাসিয়েছিলেম
আমার তরী খানি
তুমি শুধু আমার ওগো, জানি ওগো জানি
তোমার বুকে আজকে শুধু অন্য নাওয়ের ভিড়
তোমার আশায় শুন্য বুকে ভাঙছে সুখের নীড়।
দিন কাটে না রাত কাটে না, একলা জেগে রই
ভাঙ্গা মনের আয়নাতে আজ বন্ধু তুমি কই?
কালকে তুমি ছিলে আপন আজকে হল আড়ি
সন্ধ্যায় দেখা করবে বলেদিলে কেনো পাড়ি?
বন্ধু তুমি বুঝলে না গোআমার মনের কথা
দূরে চলে গিয়ে তুমি দিলে মনে ব্যথা "
তুমি আমার,খুব প্রিয়তোমার জন্যে কাঁন্দি
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি আশায় ঘর বাঁধি"
এদিক ওদিক খুঁজছে নয়ন তোমার কথা ভাবি
সত্যই তুমি নেই যে পাশে হলে মনের ছবি "
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
তৃষ্ণার কাছে
আব্দুর রহমান
বালির দেশে ফিরে এল ইচ্ছার জন্ম
ব্যর্থ প্রয়াসে ক্ষিপ্ত মনে ছড়িয়ে দিল আগুন পানি
ছেয়ে গেলো মরুদ্যান আর সব হৃদয়ের বাগান
ঝর্ণার জলে ভেসে গেল সীমানা ছাড়িয়ে সে অগ্নি
এখন আমাদের জীবনের প্রতিমুহূর্ত করে বর্ষণ
বেলা বয়ে যায় মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকা তৃষ্ণা
বার বার মনে করে দেয় ইচ্ছা আগুনে পুড়ে চলে
পোকামাকড় জতুগৃহ গর্ভে সুড়ঙ্গ পথে নির্গমন
হওয়ার নয় বরং কোলা কুলি করি মৃত্যুর দুয়ারে
অপেক্ষায় থাকা তৃষ্ণা চেয়ে আছে বাড়িয়ে উদ্বাহু ।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
কবিতা
যুগান্তরের প্রেমিক হব
অরুপ দাস
আবারও ফিরবো চেনা পথে
এই যুদ্ধ জয়ের শেষে ,
তখনই দেখা হবে আমাদের
হাঁটবো কিছু পা এক সাথে
ওই নরম সবুজ ঘাসে ।
হবে কিছু কথা আর বন্য ভালোবাসা
সে ভালোবাসায় ভেসে ,
যুগান্তরের প্রেমিক হয়ে ঘুরবো দীপান্তরে ।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
*বর্তমান ভারতের ইতিকথা*
--আব্দুল বাসেত
ধর্ম আজ সন্ত্রাসের হাতিয়ার, দেশের পরিস্থিতি বড়ই সংকটময়;
প্রায়শই ঘটে থাকে ধর্ষণ, নারী জাতি পায় না সুবিচার।
অপরাধীর হয় না কোনো সাজা,এ বড় দুঃসময়;
নির্বিঘ্নে ঘটে যায় মানুষ-হত্যা, দুর্বলের উপর সবলের অকথ্য অত্যাচার।
নেই কোনো উন্নয়ন, শুধু আছে ধর্মের নামে প্রহসন;
সাধারণ মানুষের নেই কোনো নিরাপত্তা,দেশে শুধু অনাচার।
নিরীহ মানুষের উপরে চলছে অন্যায় নির্যাতন;
দেশের এ দুর্দিনে সকল নাগরিকের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার প্রয়োজন।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
কবিতা
ক্ষুধার রাজ্য
মিরাজুল সেখ
চামড়ার আবরণে ঢাকা
একটুকু রাজ্যে জ্বলছে
ক্ষুধার জ্বলন্ত আগুন।
অন্নের আশায় ধুঁকছে বুক
মৃতের শরীরে।
চতুর্দিকে তাকিয়ে হতবাক
খিল খিল করছে অজস্র প্রাণ
ক্ষুধার জীর্ণ রাজ্য নিয়ে।
হতাশার ফাঁদে পা দুটো
ফাঁসির বেড়াজালে,
আটকে পড়েছে যেন ।
ঈশ্বর ও হাতুড়ির ঘায়ে
ক্ষত বিক্ষত করছে ক্ষুধার পেটে।
জীবন্ত দলিলে ঠাঁই হয়েছে
নীল রঙের বিষের বাঁশীর।
অন্নের মাঝে লেগেছে পোকা
তবু কি হবে চেতনা ,থাকি অপেক্ষায়।।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
আমরাও মানুষ
স্বপন কুমার রায়
আজ মনে হচ্ছে,এই বাড়ি,পুকুর,
সুপারি বাগান আমার নয়,
এই তো! বাড়ি ঢোকার সদর রাস্তাটি আমি, বিল্টু,ছোটকাকা মাটি ফেলে তৈরী করেছি,
রাস্তাটি আগের মতই আছে,কোথায় কোন পাথর পড়েনি,
এই পথ ধরে চলে এসেছি,এই পথ ধরেই ফিরছি,
চেনা মুখ গুলো আজ কেন অচেনা হয়ে গেল?
মুখ ঢেকে লাঠি হাতে আমার পথ আটকে উনি কে?
বিল্টু না ? হ্যাঁ বিল্টু তো!
এক সাথে স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে আমি চলে এলাম,
ও তখন কলেজে |
কোথাও কোনদিন ভালোবাসা পাইনি
রাজস্থানে কতগুলি ধুলোমাখা বসন্ত পার করেছি,
সিমিন্টের বস্তা মাথায় নিয়ে মালিকের ফরমাস খেটেছি
পা চালা,পা চালা, তাড়াতাড়ি কর ,
পাঁচটার আগে ওয়াগান খালি করতে হবে |
স্ত্রী ননীবালা পাঁচটা মারয়ারী বাড়িতে রান্নার কাজ নিয়েছে,
আমার এক ভাই মহারাষ্ট্রে স্টিল কোম্পানিতে কাজ করে,
আমার আর এক ভাই কেরালায় রাজমিস্ত্রীর জোগাড় দেয়,
আমার জ্যাঠতু দাদা গুজরাটে ঠিকা শ্রমিক,
আমরা কেউ গত বছর বাবার মৃত্যুতে বাড়ি ফিরতে পারিনি,
গত বছর আমার নয় মাসের ছেলেটার বড়ো ব্যামো হয়
জ্যাঠতু দাদা সাত তলা বিল্ডিংএ ঝালাইয়ের কাজ করতে পড়ে যায়,
আজ অবধি খুঁজে পাইনি,কোন সংবাদ পত্রে ছাপা হয়নি |
রাত বাড়ে তারারা ঘুমোয়,আমি জেগে থাকি,
আমাকে পাহারা দেয় শহরের বড়ো বড়ো অট্রালিকা আর ল্যামপোস্টের আলো ,
প্রতি বছর বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শপথ করি
এবার দূর্গা পূজোয় বাড়ি যাবোই,যাবো |
যাবার সময় বাবার জন্য একটা রাজস্থানি কোট
মায়ের জন্য হাতের কাজ করা দামী শাড়ি নেব ,
জানি মা পড়তে চাইবে না, বড়দিকে দিয়ে দেবে,
তবুও নেব |
ক্ষীণকায়া তোর্ষায় উবু হয়ে জানতে চাইবো,
তুমি কেমন আছো?
খুব মনে পডে,আকাশে রঙিন ঘুড়ি ,
তপনদের বাস বাগানের মাথায় সারি সারি বক,
পাট পচা ঝিল,বথুয়া শাকের ক্ষেত,কুমড়োর মাচা,
বৈশাখে জল হলে, নদীর পাড় থেকে বাবা তুলে আনতো কাঁকড়া মাছ,
অগ্রায়ণের ধান কাটার দিনে ,আলে বসে নরেশ কাকু মোঁয়া বিক্রি করতেন ,
আমরা এক আটি ধান দিয়ে দশটি মোঁয়া নিতাম,
ছায়া ছবির মত দৃশ্যপট মনে পড়ে,মনে পড়ে
খোলা মাঠে স্কুল পালানো ছেলেরা বাতাবি লেবুর বল নিয়ে ছুটছে,
বর্ষার দিনে পাট গাছের মাথায় একটি ঘুঘু পাখি ভিজছে,
মাঝে মাঝে দেখি,বাবা বৃষ্টিতে ভিজে উনুনে হাত সেঁকে,
কোন কোন দিন,মা ভাতের হাড়ি উনুন থেকে নামিয়ে
বাবার জন্য লঙ্কা,আদা,গোল মরিচ,লবণ দিয়ে চা বানাচ্ছেন ,
অতীত কিছুতেই পথ ছাড়ে না আমার,
এই পথ ধরেই ফিরছি,সারিবদ্ধ পিঁপড়ের মত
যেন বান এসেছে,নিরাপদ আশ্রয়ে চলছি আমরা ,
এতটা পথ হেঁটে হেঁটে এসেছি,কোথাও কোন
খাবার নেই,জল নেই, আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেই,
নেই কোথাও কোন সহযোগিতা ,
আমাদের মধ্যে যারা মরে গেছে
তাদের জন্য কাঁদতে ভুলে গেছি!
চারদিকে শুধু শত্রুর মুখ আর মুখ |
শত্রু পক্ষের হাতে দখল হয়ে যাওয়া বসত বাড়ি
অসহায় পরাজিত মানুষের মত হেঁটে চলছি,
শহরের গলি পথ ছেড়ে আসার সময় ওরা বলেছিল,
আমরা বস্তিবাসি,আমরা পরিযায়ী ,
মাঝে মাঝে দেখেছি,চৌরাস্তার দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলি
আমাদের দেখে সরে দাঁড়াচ্ছেন ,
কোথাও কোন ভালোবাসা নেই,নেই সহযোগিতা,
সব মিথ্যা ! মিথ্যা --
ওরা ভুলে গেছে আমরাও তো মানুষ |
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
"" উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ ""
"" বিরহের বেদনা ""
-চিরশ্রী কুণ্ডু (অবন্তিকা)
তুমি ছাড়া অন্তহীন , কাটাচ্ছি অহর্নিশ
তুমি আমার জীবনের ছন্দ
রয়েছো সুরের তান ।
কোথাও যেনো হারিয়ে যাওয়া
ফিরতি পথে চোরাবালি
হারিয়ে গেছে কোন সে গলি
মাঝ রাস্তার আঁকে বাঁকে ।
দ্বীপ হীন বিষণ্ণতার গ্রাসের স্বীকার
আমার একলা শহরে কান্নার বসবাস
বেসুরে এক তানের আপ্লুত ছন্দ
দূর আকাশে এক মলিনতার বিকাশ ।
দৃষ্টিরা ঝাপসা কাঁচের জানালায়
বেহিসেবী মন শুধুই খোঁজে
তোমার আলাপনের বিনম্র সঙ্গী
অগোছালো কাহিনীর জ্বাল বুনে
প্রতি ক্ষণে এক অক্লান্ত প্রতীক্ষায় ।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগবিভাগ
ঋতুবাসে রুপান্তর
প্রনব রুদ্র
ছোট থেকেই বৈচিত্র্যময় জীবনযাপন। কত কৌতূহল কত আড়চোখ, তির্যক ইশারার শিকার। শরীরে এক অবয়ব, মননে নারী পেলব ছোঁয়া।
সব বলতে পারনি বলেই কি আক্রান্ত হলো হৃদয়; বন্ধ হলো চিরতরে? প্রতিনিয়ত এতোকষ্ট সইতে কেমন করে। অন্তলীন দহন কাকে বলে- তুমি পুড়েছ তাতে, তুমি তো নারী হতে চেয়েছিলে- চেয়েছিলে হতেওবা জননী!
অপমান সমালোচনার জবাব মুখে দেয় না কীর্তিমান
জাতীয় ১২টি পুরষ্কার একাধিক আন্তর্জাতিক সন্মানে
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে করেছে একেবার চুপচুন
বাকী রইলো আরো কত নির্মাণ, আরো কত সন্মান!
টলি বলি হয়তোবা হলিও শূন্য হলো এ অকালপ্রয়াণে!
শেষ যে ছবি "চিত্রাঙ্গদা" তাতেও হয়েছিলে নারী।সারাআআআ জীবঅঅঅন নারীই চেয়েছ হতে।অ্যাবডোমিনোপ্ল্যাস্টি, ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি; এতোকিছুর ধকল নিতে পারেনি শরীর- অসুস্থ হলে। ঈশ্বর নিষ্ঠুর! এক শরীর মনে কেন তোমায় করেনি নারী?উত্তপ্ত শহরজুড়ে শীতল ছায়া তুমি,তোমার শরীরে ইচ্ছেরা আজো কি সরীসৃপ?
মৃত্যু শান্ত স্বাভাবিক, সব প্রাণীই পায় তার স্বাদ
তবুও কিছু মৃত্যু নিয়ে আসে অপূরণীয় বিষাদ
৩০শে মে ২০১৩ সাল, বাংলার ক্ষতি বি-শা-ল!
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
বিষবৃক্ষ
-----মিঠুন রায়
বৃষ্টির মাঝেও সিক্ততা নেই
পাষাণ মাটিও বলেনা বৃষ্টির কথা।
বর্ষার প্রবাহীনি ধারায় নদীও বলে না
আর ভাঙনের কথা।
দিনের শেষে একটি স্ফুলিঙ্গও মিশে যায় দাবদাহের মাঝে
ঝরা পাতা খসে পড়ে জীবনের একটি অধ্যায়ের মতো,
সময়ের বুকে নতুন করে জন্ম নেয় কল্পিত বিষবৃক্ষ।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
এতবার
কবিতা
অনাদি মুখার্জি
এতবার মিথ্যে বলেছি তোমাকে ভালো বাসি,
তাই আজ হল ভালো বাসা পরবাসি!
এতবার দুঃখ পেয়েছি সুখের ছদ্মবেশে,
তাই দুঃখ আমার এই জীবনে!
এতবার অন্ধকারে মেলেছি চোখ,
তাই অন্ধচোখে জেগে থাকে পরলোক!
এতবার পৃথিবীতে করেছি শত লাঙছনা,
তাই পৃথিবী করেছে আমার জরিমানা!
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
।। উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ।।
জিঞ্জাসা
দেবার্ঘ্য ভট্টাচার্য্য
একলা দুপুর— রোদ্দুর চুরি গেছে — বহুদিন।।
মেঘেদের মন খারাপ।।
আকাশের মুখভার।।
একফাঁকে উড়ে গেছে। পরিযায়ী পাখিদের দল।।
সিলিং ফ্যানে— একশিশি স্লিপিং পিল।।
আয়নায় দাঁড়িয়ে, ক্ষত।। রক্তাক্ত।। বিবেক।।
ভেঙে যাওয়া
বাড়ি
ঘর
দোর।
আগলায়।।
চি
লে
কো
ঠা—
একখানি নরম মেয়ে।।
তারাদের সাথে ভারি ভাব।
বেঁচে থাকে বুকে নিয়ে,
একদিন তারা হয়ে যাওয়ার
বিশ্বাস।।
অসময়ী কুয়াশার মতো,
ঘিরে আসে প্রশ্নচিহ্নরা।
ফাঁকা হয়ে গেছে।।
হঠাৎ।।
চেনা শহরের
রা—স্তা—ঘা—ট।।
এক বেহেড বেভুল মাতাল।।
ঈশপের গল্প।
—জল নেমে গেলে, সবাই কুঠার ফিরে পাবে তো?
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
||ইতিহাস ||
বাপন দেব লাড়ু
শহর তোমার ঢেকেছে উড়ালপুলে,
বৃষ্টি তাই ভেজাতে পারেনা শরীর,
মনখারাপের ঠিকানা এখন ফুটপাত
কখনও সখনও মাড়িয়ে যায় ধুলো।
পকেট ভরেছে ঘাম মোছা রুমালে
ঘেমো গন্ধকে আগলে রাখে বুকে
কেউ লেখেনি তার বিড়াল হওয়ার ইতিহাস
কিংবা কোন সে যাদু বলে
ছিল রুমাল হল বিড়াল।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
কবি ও জীবন
প্রদীপ কুমার দে
এক অদ্ভুত মিল রয়েছে,
কবি ও জীবনের।
এক পারস্পরিক আলোচনায়
এক কাপ চা আর সিগারেট।
কবি লিখে চলেন-
জীবনকে ভালোবাসার কথা।
তাঁর শত শত ভাবনার আলোয়,
আকাশের নীলাভ নক্ষত্রটির দ্যুতি;
ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে পড়ে।
এসব কবির দৃষ্টিগোচর হয় না।
কবি ও জীবনের মেলবন্ধনে
মৃত্যু হেসে ওঠে নিঃশব্দে।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
*তোমায় ঘিরে*
--সুমনা দাস
তোমার ড্রয়িংরুমে রাখা রংতুলিতে
আমার সাজানো খেলাঘর,
আকাশ সেজেছে রামধনুতে
ইচ্ছেরা মিলেমিশে একাকার।
ভালোলাগা আজ পথ ভুলেছে
পেয়েছে নতুন নাম,
মিথ্যে হয়েছে ভালোবাসা
হারিয়েছে তার দাম।
অতীত ক্রমেই হচ্ছে ফিকে
বেড়েছে নূতনের ভিড়,
সময় যে সব বদলে দিয়েছে
তোমার-আমার যত্নে ঘেরা নীড়।
স্বপ্নেরা আজ অভিমানী সব
চাইছে নতুন ছোঁয়া,
সবার মাঝে তুমিই ছিলে
আমার অন্যরকম পাওয়া।।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
"উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
কবিতাঃ সোনার গাঁ
লেখকঃ জুয়েল রূহানী
বাংলা আমার মা জননী
বাংলা আমার ভাষা,
বাংলা আমার প্রানের ভূমি
বাংলা আমার আশা।
বাংলা আমার মায়ের আঁচল
বাংলা আমার সুখ,
বাংলা আমার স্নেহ ভরা-
বাংলা মায়ের মুখ!
বাংলা আমার মায়ের হাসি
বাংলা আমার ছন্দ,
বাংলা আমার স্বপ্নছাঁয়া-
বাংলা আমার আনন্দ!
বাংলা আমার ভালোবাসা
বাংলা আমার মাঁ,
বাংলা আমার সবুজ-শ্যামল
স্বপ্ন সোনার গাঁ।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇
No comments:
Post a Comment