"উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
(ওয়েব ম্যাগাজিন)
প্রকাশ কাল:-12/06/2020, শুক্রবার
সময় :- সকাল 6 টা
সভাপতি:- অরুণ কুমার ঘড়াই
সহঃ সভাপতি:- সেক আব্দুল মজিদ
সম্পাদক এবং
প্রকাশক:- সেক আসাদ আহমেদ
যুগ্ম সহঃ সম্পাদক :-
১) ইমরান খাঁন
২) শেখ মণিরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় দপ্তর ::-
গ্রাম:- গাংপুরা ডাকঘর:- সাগরেশ্বর
থানা:- রামনগর জেলা:- পূর্ব মেদিনীপুর
সূচক-৭২১৪৪৬ পশ্চিমবঙ্গ ভারত
মুঠোফোন:- 9593043577
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা ফেসবুক আইডি লিঙ্কে ক্লিক করুন আর যুক্ত হন আমাদের সাথে
Click here
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপতে যুক্ত হন লিঙ্কে ক্লিক করে
Click here
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
আজকে উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক ওয়েব ম্যাগাজিনে যারা কলম ধরেছেন✒✒✒✒👇👇👇👇👇
ইংরেজি কবিতা:-
• সিদ্ধার্থ সিংহ
• শক্তিপদ মাইতি
বাংলা কবিতা:-
• কাঞ্চন সরকার
অনুগল্প:-
• শুভঙ্কর দাস
বাংলা কবিতা:-
•অনাদি মুখার্জী
• বিশ্বজিৎ কর
• প্রশান্ত মাইতি
গুচ্ছ লিমেরিক:-
• শংকর হালদার
প্রবন্ধ:-
• রাজা দেবরায়
কবিতা:-
• সোহিনী মুখার্জী
• কাশীনাথ সাহা
• রাজর্ষি আদিত্য
• টুম্পা মুখার্জী
• জুয়েল রূহানী
• অঞ্জন দাস মহাপাত্র
ভ্রমণ কাহিনী:-
• অগ্নিমিত্র ( ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য)
ছোটোগল্প:-
• আব্দুল রাহাজ
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
Relation
✍✍✍ Siddhartha Singha
I will not play with you anymore
if you walk like this in the middle of the road
if you show higher stories one by one and make
sudden whimsical demand,
if you prefer the dressing table more to the kitchen
then I will not play with you, not even a day anymore
while playing I shall raise house with heap of sands
one day I will even cover up all with sands.
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ ( Poem)
HE WALKS AWAY
✍✍✍SAKTIPADA MAITY
He knows, he may not come back home
He walks away with smiles.
He knows, he may not see again
The cutest princess ever he met
The sweetest lady ever he seen
Caring mother ever he discovered
He walks away with smiles.
He knows, he may not get another chance
To enjoy the beauty of the full moon
Or, the rising sun over the mountains
He knows, he may lose every joy
The life has given,
He may loose his life even..
He walks away with smiles
He walks away with GUN
- - - - - - - - - - -
Saktipada Maity
Melbourne, Australia
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
ফেরারি মন
✍✍✍ কাঞ্চন সরকার
কিছু অনুভূতি প্রকাশ না হয়েই থাক।
সেগুলো না হয় ডায়রিতে বন্দি করাই যাক॥
অনেক দিন পর ডায়রি সেজে উঠেছে।
এই আনন্দতেই বুকটা নতুন সুর বেঁধেছে॥
কবি নয়কো আমি যে লিখব অনেক কথা।
সু-তো অসম্ভব কুকবিরও নেই আমার যোগ্যতা॥
অজানা এক পথের হাত ধরে হেঁটে চলেছি একা।
কেউ নেই গো পাশে শুধু সময় আমার সখা॥
মেঘলা দুপুর আলসে নিয়ে আমায় শুধু ডাকে।
ঘুমের মাঝে আমি হারিয়েছি যে আমাকে॥
ঝড়ো হাওয়ায় আজ খুলেছে মনের খাঁচা।
যা উড়ে মনপাখি যেথা যেতে চাস তুই বাছা॥
নানা পথের নানা কথাই মন আজ সেজেছে।
হাসি-কান্নার এ খেলাঘরে মন মনমালা গেঁথেছে॥
আবেগের তাজমহল যে বাস্তবের ধূলায় মিশিছে।
তাকিয়ে দেখি ফেরারি মন আজ জলেতে ভিজেছে॥
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
বিভাগ : অণুগল্প
✍✍✍ শুভঙ্কর দাস
মহারাজা বিমলচন্দ্রের স্ত্রী কিরণবালা দেবী শতরূপের অধিকারিণী। প্রজাদের উলুধ্বনি,,,,,,, আনন্দের মহড়া...... রাণী সন্তান প্রসব করেছেন। মহারাজ সন্তান হাতে পেয়েও,,,,, বাতাসে বিষাদের গন্ধ............ রাজ্যবাসীর সর্বনাশ।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
আমার অনুভূতি
✍✍✍ অনাদি মুখার্জি
তোকে কাছে পেয়ে ও বলতে পারি নি,
তোর আমার ভালো বাসা কে মিলাতে পারিনি ,
তখন বড্ড ক্লান্ত আমি, রাজ্যের ক্লান্তি আমার জানিস তুই!
আমার অনুভূতির সবটা গিলে খেয়েও ,আমাকে তুই বুঝিস নি,
আমার চোখের মণিতে তুই ছিলিস দেখিস নি তুই?
আজ বড়ই অবহেলিত আমি ,ঠকেছিস তুই আমার আমি কে পরাজিত করে !
এখন আকাশের বুক পুড়ে খাই বিকের রোদ মেঘ পোড়া লাল আভা গুলো , চুমু খায় এক অশান্ত জলের পাঁজরে !
ঐ বাতাসে সুগন্ধি ছড়িয়ে আজ প্রেমের গান গেয়ে বলে যায় তোকে বড়োই ভালো বাসি !
আমার এই অনুভূতি তুই কি বুঝিস কবে ,আমি তাই ভাবি ক্ষণে ক্ষণে !
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
রবি-চ্ছটা!
✍✍✍ বিশ্বজিৎ কর
'আমার পরাণ যাহা চায়... ',
তুমি তাই নও গো!
তুমি আর আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে নেই!
যে রাতে আমার ঘরের দরজাগুলো ঝড়ে ভেঙে পড়েছিল, সেইক্ষণে আমি গেয়ে উঠেছিলাম -"এই করেছ ভাল নিঠুর হে......! "
তুমি মনে দ্বিধা নিয়ে চলে গেলেও,
নিভৃতে-যতনে আমার নাম তোমার মনের মন্দিরে লিখে রাখোনি!
আমিও দিবসরজনী আশায় আশায় বসে থাকি না.....
জানি তো, "আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু! "
বেচাকেনা চুকিয়ে দিয়েই -
লেনাদেনা মিটিয়ে দিয়ে-
দিনের শেষে ঘুমের দেশে মিলিয়ে যাব, তখন আমায় নাই বা মনে রাখলে!
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
আমার কাকদ্বীপ
✍✍✍ প্রশান্ত মাইতি
সেই গ্রাম আর আজ নেই
সেই পথ - প্রান্তর,মাঠ,ঘাট,
বাঁকে বাঁকে পুকুর,নালা, জলাশয়
সব আজ কংক্রিটের চাদরে মোড়া
#
কাকদ্বীপ আর নেই পাড়া - গাঁ
প্রতি বাঁকে জ্বলে ল্যাম্প পোস্ট
বিস্তর রাস্তার বুকচিরে ছুটে যায়
অজস্র গাড়ি রাত,দিন
#
কোলাহল লেগে থাকে সময় ভুলে
প্রতিযোগিতা লেগে থাকে ফ্লাটেদের
আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে
#
দীর্ঘদিন দেখিনি আমি ঝরে পড়া
শিউলি,পলাশের ধুলো মাখা গা,
বাচ্চাদের গাছ ঝোলা,লুটোপুটি,চিৎকার
শুনিনি সেই ফেরিওয়ালার হাঁক
#
আজ দেখি ভোর হলে খবরের
পাতায় ভেসে ওঠে খুন,ধর্ষণ,
রক্তপাতের নির্মম হোলি খেলা
অ্যাম্বুলেন্সও হাঁফ ছারে মাঝে মাঝে
#
জানি আর সেই দিন ফিরবেনা
ফিরবেনা গ্রামের সেই সব স্মৃতি
#
আমার শহর এখন আমার কাকদ্বীপ ।।
-----------------
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
পাঁচটি লিমেরিক
✍✍✍ শংকর হালদার
লিমেরিক-০১
বাঁশ বাগানে আলো জ্বলে ঝিলমিলিয়ে রাতে
কারা যেন মধ্যরাতে গানের ভেলায় মাতে ।
আকাশ তারা নীরব পাড়া
গান ধরেছে এখন কারা,
গান শুনতে যায় আমি ক্যামেরা নিয়ে সাথে ।
লিমেরিক-০২
লিকলিকে লিমেরিক ছন্দে আছে মুড়ে
হাসি মজা দুই আছে হৃদয় যায় ভরে ।
ছোট্ট ছোট্ট বাক্য মায়া
উচ্চারণে আজব ছায়া,
তবুও যদি ক্ষীণ দশা সাহিত্য কাঁধে চড়ে ।
লিমেরিক ০৩
উপাধি নিয়ে খেটে মরি কাজেই ঝাড়ুদার
আমা হতে বদ সমাজ পায় উপকার ।
সত্যি আমি সমাজ সেবক
কষ্ট আমার যতই হোক,
সমাজ লগে জীবন পণ সমাজ চেনা ভার ।
লিমেরিক-০৪
বুড়ো বুড়ি'র ছুঁচোর কেত্তোন কোঁচার ধরন ভালো
সকাল হতে রাত অবধি পালা গান ছিল ।
বুড়ো থামে বুড়ি ধরে
নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে,
কাক পক্ষী ছিল যত পালিয়ে তারা গেল ।
লিমেরিক-০৫
ব্যাঙ বাবাজীর বিয়ে দেবো ঘটক মশায় কই
ঘটা করে খেতে দেবো মুড়ি মুড়কি খই ।
ঘটক মশায় না পেলে
হাতে দেবো ফোন তুলে,
ফোনে ফোনে প্রেম করো খেয়ে মেখে দই।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
রঙিন যাত্রী
✍✍✍ সোহিনী মুখার্জী
ওরে গৃহবাসী!
বন্ধদ্বারে অন্ধকারে বসন্ত সর্বনাশী,
পাতায় পাতায় রঙের ছোয়া
বিচলিত মন,
দোল লেগেছে অশনি ক্ষনে
তাই রং ছোয়াও বারন
এই বসন্ত সন্ধিক্ষণে
স্থল জল বনতল মেতেছে শ্রাবনে
নয়নে বারি ধারা
আবিরে আবিরে রঙিন হলো চোখের তারা,
রাশি রাশি রাঙা হাসিতে
প্রফুল্লমণ্ডিত তার মুখমন্ডল,
ফুল চন্দন ধূপে গন্ধে লাগলো আবার দোল!
আবির রঙে রাঙাতে চাওয়া সেই শিহরিত ক্ষন
থমকে গেল একনিমেষে বদলে গেল রং!
থম থমে এক সাদা থানে মোড়ানো সেই রাত্রি,
ভোরের দিকে এগিয়ে চলে রঙিন পথের যাত্রী।।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
প্রবন্ধ
রবীন্দ্রচর্চা আরো গভীরে হওয়া উচিত !
✍✍✍ রাজা দেবরায়
রবি ঠাকুর যখন 'বাল্মীকি প্রতিভা' সৃষ্টি করেন তখন প্রচণ্ড সমালোচনার মধ্যে পড়েছিলেন । এছাড়াও যেহেতু অনেক গানেই পাশ্চাত্যের ছোঁয়া আছে ফলে সবসময়ই সাংঘাতিক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিলো । সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তৎকালীন 'পণ্ডিত'গণ করতেন । কেউ বোঝে আবার কেউ না বুঝে । কেউবা আবার ঈর্ষায় ! কিন্তু নোবেল পাওয়ার পরই চিত্রটা পাল্টাতে শুরু করে । তখন সমালোচকদের মুখ মোটামুটিভাবে বন্ধ হয় ।
আর রবি ঠাকুর বলতে অধিকাংশ বাঙালিই সঙ্গীত, কবিতা বোঝেন । তাঁর গল্প, বিজ্ঞান, চিঠি, উপন্যাস ইত্যাদি বোঝেন না । তাঁর জন্মদিন পালিত হয় নাচ, গান এবং আবৃত্তিতে । আবার প্রত্যেক বছর কিছু বাছাই করা একই নাচ, গান এবং আবৃত্তি করা হয় । বাচ্চারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাঁর কথা বা বাণী হৃদয়ঙ্গম করতে পারেন না অথবা বলা ভালো তাদের সেভাবে শেখানো হয়না । তাছাড়া কোন ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা অথবা তাত্ত্বিক আলোচনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই করা হয়না ।
রবি ঠাকুরের মতো আধুনিক মানুষের আধুনিকতা নিয়েও সেরকম গবেষণা নেই । অথচ কমপক্ষে আগামী একশো বছর তাঁর আধুনিকতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না । কিন্তু সঠিক চর্চার অভাবে মূল্যবান এই দিকটা উপেক্ষিতই থেকে যায় প্রতি বছর ।
শুধুমাত্র ফুলের মালা দিয়েই রবীন্দ্রচর্চা করা হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ! কারণ এতটুকুই ছোটবেলায় জানানো হয় যে তিনি 'ঠাকুর' !!!
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
দাঁড়াও ভাই
✍✍✍ কাশীনাথ সাহা
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি
পাশেই আছি কাছেই আছি।
তোমার পাপপুণ্যে আছি
তোমার ভালবাসায় আছি
তোমার সাথে পথেই আছি
কণ্ঠ জুড়ে শ্লোগানে আছি।
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি...
তোমার তীব্র ঘৃণায় আছি
উত্থানে পতনে আছি
তোমার বৈধ প্রেমেও আছি
অবৈধ কাঁপনেও আছি।
জলে আছি ডাঙায় আছি
তোমার তীব্র শ্লেষে আছি
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি...
তোমার উচ্চারণে আছি
বৈভবের আলোয় আছি
বিসর্জনেও সাথেই আছি
অনাহারে খিদেয় আছি
কবিতার শব্দে আছি
ক্ষমতার দম্ভে আছি
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি...
তোমার সকল সুখে আছি
মোহে, বিশ্বাসে আছি
সবুজ পাতার ঘ্রাণে আছি
নদীর স্রোতের ধারায় আছি
না বলা কথার ভিতরে আছি
মধ্য রাতের নেশায় আছি
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি...
তোমার বেকারত্বে আছি
তোমার বইয়ের পাতায় আছি
তোমার পাপের আঁধারে আছি
তোমার সকল ভুলে আছি
তোমার মিথ্যে কথায় আছি
মন্ত্রোচ্চারণের ছায়ায় আছি
দাঁড়াও ভাই সাথেই আছি...
তোমার চোখের জলে আছি
প্রলাপে আছি আলাপে আছি
প্রথম প্রেমের গল্পে আছি
মাদল রাতের প্লাবনে আছি
স্তব্ধ দিঘির জলে আছি
মিছিলে পায়ের ধুলোয় আছি
তোমার হাহাকারে আছি।
এখনো আমি ছাড়িনি তোমায়
ছাড়বো যখন সেদিনও আছি।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
কেরলের মল্লাপুরমে নিরীহ অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে বারুদ মিশান খাবার খাইয়ে হত্যা করবার প্রতিবাদে এই কবিতাটি লেখা।
তুমি কি মানুষ?
✍✍✍ রাজর্ষি আদিত্য
মনুষ্যত্ব হারিয়েছো তুমি;
বন্ধু তুমি কি মানুষ?
নিরীহ মাকে পুড়িয়েছো তুমি;
বন্ধু তুমি কি মানুষ?
তোমাকে বাঁচাতে আর্মিরা ঘোরে;
বন্ধু তুমি কি মানুষ?
ভাবি আমি বসে আনাচে-কানাচে পোকাগুলো
সব ঘোরে;
সভ্যতার এই মুখোশ পড়ে চার দেওয়ালের ঘরে।
ঝড় ,অসুখে মরে মরে বাঁচো ভালো হবে শুধু সেটাই;
জীবন মারতে পারলে তুমি, ভগবানের আজ কি দায়।
মারো তাই মারো কুপিয়ে কুপিয়ে,
ফেরত আসবে জেন।
তখন নিজের ভাগ্য টাকেই সত্যি বলে মেন।-
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
সাজানো চিত্রনাট্য
✍✍✍টুম্পা মুখার্জী
চিত্রনাট্যের দলিলগুলো
সাবধানে তোলা থাক
ইতিহাসের আড়ালে।
জনগণের খাদ্য সুচারুভাবে
পরিবেশিত হোক
ছলনার পুষ্পসজ্জায়,
চেটেপুটে খেয়ে তৃপ্তির উদ্গারে
বাহবা খুঁজে তুমি সার্থক।
হঠাৎ ধৈর্যের দিগ্বলাকায়
সত্যের ঝড়,
চিত্রনাট্য বানে ভেসে যাওয়া
খড়কুটো,
ইতিহাস আড়াল ঝেড়ে বর্তমান ও
ভবিষ্যতের অটুট প্রাচীর,
আর তোমার দুহাতে মুখ ঢাকার
আপ্রাণ চেষ্টা।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
ভ্রমণ কাহিনী
ছুটিতে পাহাড়ে
✍✍✍ অগ্নিমিত্র ( ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য)
একটা অন্যরকম রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা শোনাবো আজ। দশ বছর আগেকার একটি কথা আপনাদের জানাবো; একটা কনফারেন্সে পুণেতে গেছিলাম।। পুণে বা পুণা , আগে মারাঠা সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল ।..খুব পুরনো ঐতিহাসিক শহর। কনফারেন্স-এর ফাঁকে একটু সময় পেলাম ঘুরে দেখবার । ঠিক করলাম, যাবো সিংহগড় বলে একটি দুর্গে, যা কিনা পশ্চিমঘাট পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত । তখন বিশেষ কিছু ভাবি নি; একটা কিছু দেখতে হবে এমনই ভাবনা আরকী! দেখতে গেলাম কেল্লাটা, যেতে যেতেই এর সম্বন্ধে জেনেছি । সিংহগড় শিবাজীর কেল্লা ছিল, সেনাপতি তানাজী মুঘলদের থেকে সিংহগড় দখল করেন। আজ আর এর বেশি কিছু অবশিষ্ট নেই। সিংহগড় আজ প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। দূরে, পুণের পাশের জেলায় গ্রাম আছে একটি, সেই গ্রাম থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার ওপরে ট্রেকিং করে উঠে পাহাড়ের শিখরে কেল্লায় পৌঁছতে হয় । সহ্যাদ্রি পাহাড়ের মধ্যে কেল্লাটি। আর তার চার দিকে পাহাড়, সুন্দর দৃশ্য। তবে উঠতে গিয়ে দম বেরিয়ে যায়; আছে অনেকগুলো ল্যান্ডিং যাদের হিন্দিতে চটি বলা হয়। একেকটি ল্যান্ডিং বা একেকটি চটিতে কিছু লোক দোকান খুলে চা, লেবুর শরবত নিয়ে বসে। একটু বিশ্রাম করে, চা বা শরবত খেয়ে সবাই আবার ওপরে উঠছে! যেতে যেতে পায়ের চটি প্রায় ছিঁড়ে যাওয়ার জোগাড় হলো । আমার সাথে যে ছিল সে আর বিশেষ ওপরে উঠতে পারল না। স্থানীয় কিছু ছেলের সাথে আমি পাহাড়ের মাথায় উঠে গেলাম । সিংহগড়ে এখন যা অবশিষ্ট আছে তার মধ্যে একটি সিংহদরজা এবং প্রাচীর বা প্রাকার । কেল্লায় পৌঁছে দেখি উপরে মারাঠি সিনেমার শুটিং চলছে। নায়ক-নায়িকাকে পরিচালক পোলগা- পোলগি বলে সম্বোধন করছে ! আমি ওপরে আসাতে ওদের বোধহয় একটু অসুবিধা হলো । অনেক লোক উঠেছে, এবং একটু পরেই জায়গাটা একটি ভিড়ে ঠাসা জায়গায় রূপান্তরিত হয়ে গেল । খুব সুন্দর লাগছিল; নিচে নেমে এসে একটু দূরে গিয়ে দেখি একটি ঝিল । তার ধারে বসে বেশ চনমনে হয়ে উঠলো মনটা। আসতে পারেন সিংহগড় কেল্লা, যখন সবকিছু স্বাভাবিক হবে, যখন সবাই তালাবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে। তখন আপনারাও ঘুরে আসতে পারেন।।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
বর্ষার ছাতি
ছোট গল্প
✍✍✍ আব্দুল রাহাজ
দিনটা ছিল মুষলধারে বৃষ্টির দিন আহসান আব্দুল্লা নিতিন ওরা আজকের দিনেও স্কুল যাবে বলে ঠিক করলো । তখন ঘড়ির কাঁটায় নটা নকুল দের পুকুরে স্নান করতে আসে আব্দুল্লাহ ওর এক হাঁকে ওরা সবাই পুকুর ঘাটে এসে স্নান করলো বেশ অনেক্ষণ বৃষ্টি হচ্ছে প্রচুর চারিদিকে কুয়াশা কুয়াশা মনে হচ্ছে ওরা বললো সবার বাড়িতে ছাতা আছে তো ওরা সবাই বললো হ্যাঁ আছে তাহলে আজকে আমরা প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাবো ঠিক আছে সবাই হই হই করতে করতে বাড়ি চলে গেল । বাড়ি থেকে স্কুল বেশ দূরে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে ছটা গভীর বন পেরোতে হবে তাই ওরা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়লো নিতিন এক ডাকে ওরা সবাই বাড়ির বাইরে চলে এলো এবং একসাথে স্কুলের পথে রওনা দিলো পথে যেতে ক্রমশ স্কুলে যাওয়ার পথে কঠিন হয়ে পড়লো বারে বারে দমকা হাওয়া এসে চারি দিকে লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে ওরা তো ভয়ে কাতর ওরা পথ দিয়ে যেতে যেতে দেখলো একজন বুড়িমা বয়স প্রায় নব্বই ছুঁয় ছুঁয় অসহায়ের মতো পড়ে আছে রাস্তার ধারে আহসান আব্দুল্লা হ কে বললোদেখ দেখ বুড়িমা কষ্ট পাচ্ছে আব্দুল্লাহ দৌড় গেল বুড়িমা কে তার ছাতাটা দিয়ে দিল আশ্রয় স্থলে নিয়ে গেল আর বুড়িমা কে আসছি বলে তাড়াতাড়ি চলে গেল। ওরা পা চালিয়ে হাঁটতে লাগলো ওরা যখন স্কুলে পৌঁছলো তখন ঘড়ির কাঁটায় এগারোটা তপন স্যার সবে ক্লাস পৌঁছেছে আমরাও গিয়ে উপস্থিত হলাম আরে তিন মূর্তি এসেছো এসো এসো বৃষ্টিতে ওরা ভিজে টয় টম্বুর এদিকে ঝড়ো হাওয়ায় তাদের সব ছাতা উড়ে গেছে ওদের চিন্তা বাড়লো বাড়ি যাবে কী করে । স্কুলে মোটামুটি ক্লাস হলো এবার বাড়ি ফেরার পালা দুপুরে স্কুলে মিড ডে মিল পেট পুরে খেল ওরা। আজ তাড়াতাড়ি ছুটি হলো স্কুল ওরা কিছুক্ষন স্কুলে রইলো হঠাৎ আহসান এর মাথায় বুদ্ধি এলো ওরা বললো কচু পাতা মাথায় দিয়ে যাবো ঠিক আছে । তখন আব্দুল্লাহ বললো স্কুলের পিছনে বড়ো বড়ো কচু গাছ আছে চল ওখান থেকে নিয়ে আসি তাই চল। ওরা কচু পাতা সংগ্ৰহ করে মাথায় দিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিল নিতিন একটা গান ধরলো বললো আয় বৃষ্টি ঝেঁপে আমরা সবাই কেঁপে লাগবে নাকো বৃষ্টি আর কচুর পাতায় হটিয়ে যা ওরা সবাই একসাথে বলে উঠলো এই ভাবে কচুপাতা তাদের বর্ষার ছাতির মতো কাজ করে বাড়িতে পৌঁছে দিলো।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
কবিতাঃ " স্বর বর্ন "
✍✍✍ জুয়েল রুহানী
অঙ্গের অলঙ্কার অযু
আমাদের আত্মার আচ্ছ্বাদন,
আমাদের আনন্দ-
ইসলামে।
"ঈদ" ঈশ্বরের (প্রভূ)
উত্তম উপহার!
ঊর্ধ্বলোকে ঋণী মোরা,
একাত্বতা-ঐক্য-ঐশ্বর্যতা-
তওবার ঔষধে!
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ'এর জন্য।
|| বীরত্ব ||
✍✍✍ অঞ্জন দাস মহাপাত্র
হুড়ুম পুরের জব্বর সাহেব
থানার বড় ওশি,
যার দাপটে চোর বদমাইশ
তীর্থতে যায় কাশী।
চন্দ্র শেখর জব্বর সিংহ
যেমন লম্বা তার নাম,
তিমনি তার এক হুঁংকারেতে
চোর জপে যায় রাম রাম।
সিংহ বাবুর গোঁফ জোড়াটা
হতো যখন ঢিলে,
গোঁফ পাকানোর কায়দা দেখে
চমকে যেতো পিলে।
তার সাহসের হয়না জুড়ি
ভয়কে হাতে নাচায়,
জঙ্গল ছুট বাঘটাকে ধরে
একাই পুরেন খাঁচায়।
কাজের শেষে ফিরলে বাড়ি
বউয়ের ধমক সয়ে,
সিংহ বাবু কাঁপতে থাকে
ভিজে বেড়াল হয়ে।
🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵🏵
©সেক আসাদ আহমেদ
সম্পাদক, উপকণ্ঠ
12/06/2020
গাংপুরা, পূর্ব মেদিনীপুর

















No comments:
Post a Comment