Tuesday, June 9, 2020

উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক ওয়েব ম্যাগাজিন- 10/06/2020

      
              "উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
                       (ওয়েব ম্যাগাজিন) 
        প্রকাশ কাল:-10/06/2020, বুধবার
                    সময় :- দুপুর 12 টা

সভাপতি:- অরুণ কুমার ঘড়াই
সহঃ সভাপতি:- সেক আব্দুল মজিদ

সম্পাদক এবং
প্রকাশক:- সেক আসাদ আহমেদ
যুগ্ম সহঃ সম্পাদক :-
                  ১) ইমরান খাঁন
                  ২) শেখ মণিরুল ইসলাম

সম্পাদকীয় দপ্তর ::-
গ্রাম:- গাংপুরা ডাকঘর:- সাগরেশ্বর
থানা:- রামনগর জেলা:- পূর্ব মেদিনীপুর
সূচক-৭২১৪৪৬ পশ্চিমবঙ্গ ভারত

মুঠোফোন:- 9593043577

🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷

উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা ফেসবুক আইডি লিঙ্কে ক্লিক করুন আর যুক্ত হন আমাদের সাথে
 Click here

উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপতে যুক্ত হন লিঙ্কে ক্লিক করে
Click here
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
আজকে উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক ওয়েব ম্যাগাজিনে যারা কলম ধরেছেন✒✒✒✒👇👇👇👇👇

ইংরেজি কবিতা:-
         • সিদ্ধার্থ সিংহ
বাংলা কবিতা:-
        •• শংকর হালদার
         •• প্রদীপ কুমার দে
          •• জুয়েল রূহানী
          •• সোহিনী মুখার্জী
          •• সোহিনী  শবনম
           •• রূপা বিশ্বাস
          •• বিশ্বজিৎ কর
          •• শ্রীজা দত্ত
         •• উমর ফারুক
 প্রবন্ধ:- 
          ••• রাজা দেবরায়
ছোটোগল্প:- 
           •••* আব্দুল রাহাজ
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨

Move away a little
✍✍✍ Siddhartha Singha
Their dog is just like a human,
knows all, remembers everything.

People even compare dogs to men.
and you?
you have a pair of hands, a pair of legs,
two ears, two eyes and a nose like humans,
and yet cannot be man enough.
You are a goat to some,
to some a sheep,
while to some of a... this or that.

To be a man move away a little
from under the flag,
only a little, not much.
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨

উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ

মুক্তির আহ্বান
✍✍✍ শংকর হালদার
যেয়োনা ওপথ ধরে
তীক্ষ্ণশান করাতে বাঁধানো ওপথ 
বন্ধ্যা ইটের পাঁজরে আঁকা প্রেতচ্ছায়া 
বাতাসে ঘনঘন বিষাক্ত কীটের নিঃশ্বাস
সমাজ রন্ধ্রে মৃত্যু পরোয়ানা জারি
রক্তকরবীর অকাল হাসি
যেয়োনা ওপথ ধরে ।

স্যাঁতস্যাঁতে দেওয়াল জুড়ে গোপন কাহিনী
বন্ধ হোক হামাগুড়ি পথে লুকোচুরি খেলা 
যেখানে ঈর্ষার মালা পড়ে রঙ মাখা 
আর মাশুল গোনে আমজনতা ।

বন্ধ্যার গুমরে কাঁদার জনম বুঝি ওর 
ফল্গুর নীরব অশ্রুর ধারাপাত দু'চোখে
প্রস্তরেও ফুল ফোটে নিয়তির বিধান মেনে
অ-ঝড়ে ঝোড়ে যাক পুরোনো ইতিহাস যত ।

বদ্ধ দুয়ার পেরিয়ে সুখের চাবিকাঠি 
উন্মুক্ত আকাশ জুড়ে আলোর বসন্ত 
বেড়িয়ে এসো অমাবস্যা চাদর ফুঁড়ে
স্বস্তির পথে স্বাগত ।
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
পৃথিবীর মুখ
  ✍✍✍ প্রদীপ কুমার দে
দূরদেশ হতে ছায়াঘেরা পথে
চলেছি উদাস মনে,
শান্ত দীঘির শীতল হাওয়া
দোলা দিয়ে যায় প্রাণে।

সুনীল আকাশ, নির্মল বাতাস
মাঠের সোনালী ধান,
ভ্রমরের গুঞ্জনে মুখরিত
ব্যস্ত দিনের গান।

রোদ্দুর ঝরা রঙিন সকালে
ঘাসেরা প্রাণবন্ত,
রঙিন মেঘের আঁকা আলপনা
হয়ে ওঠে জীবন্ত।

রৌদ্রে পথিকের ক্ষণিক বিশ্রাম
শান্ত বটের তলে,
ভালোলাগা পৃথিবীর মুখখানা
ঢাকা সবুজ আঁচলে।

🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
"উপকন্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
কর্ম
✍✍✍ জুয়েল রূহানী
কর্ম সাধন কর-
মর্ম বুঝে
ধর্ম পালন কর-
মানব খুঁজে।

করলে মানব সেবা-
স্বার্থ ত্যাগে,
মিলবে প্রভূর দয়া-
সবার আগে।

আপন কর্ম ভূলে-
নয় ইবাদত,
ধর্ম-কর্ম মূলে-
জীবন মহৎ।
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
আমার দুর্গা
    ✍✍✍ সোহিনী মুখার্জী
জট গুলো আজ খুলছে যেন
খুলছে মনের বাঁধন,
রাত বারোটায় রাস্তায় যাবো
শুনবোনা কোনো বারণ,
একাই আমরা লড়বো আজ,
 একশো হাতের জোরে
মোমবাতি নয় ,অধিকারটা আনবো নিজেই লড়ে
সাত থেকে ষাট গলা তোল আজ চুপ করে কেন আছো?
ওহ! তোমার মেয়ে তো ভালোই আছে, লাগেনি তো কোনো আঁচ ও! 
ভেবে দেখো তো, তোমার মেয়েটা যদি থাকত পরিবর্তে,
তখন ও কি তুমি চুপ থাকতে লুকিয়ে থাকতে পারতে?
মা হয়ে তুমি নিজেই বাঁচাও হাতা খুন্তি ফেলে,
তাকালে চোখ উপরে নেব আছড়ে কামড়ে ফেলে!
শ্বাস নিক আজ কুঁড়ি গুলো আর ফুল হয়ে ফুটুক,
আমার নারী জন্ম থেকেই দুর্গা হয়ে উঠুক!!
                                                        
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
অনুশীলন
     ✍✍✍ সোহিনী শবনম
কষ্ট দিল যে
ভুলতে চাও তাকে?
আহা সে তো মনের গভীরে ছিল,
এত সহজে ভুলতে কি পারবে?

ইস্ ভাববো না ওর কথা,
ও ভীষণ বাজে,
দেখা যেন না হয় কখনো
এমনি ইচ্ছা জাগে।

বন্ধু ভাবছ কেন,
ভুলতে হবে তাকে?
ভাবলেই তো সে আসবে আবার,
তোমার মননে উঁকি দিতে।

অনুশীলন করবে যেটা,
সেটাই হবে দৃঢ়।
তাই 'ভুলব' এই ব্যাপারটা,
মন থেকে করো দূর।

ব্যস্ত থাকো, কাজে থাকো,
ভুলতে চেওনা মোটে।
অনুশীলন করো নিজের কাজ,
বাধ্য সে মিলিয়ে যেতে।।
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
ছোট্ট প্রদীপ
✍✍✍ রুপা বিশ্বাস
এই যে প্রদীপ খানি চেয়ে দেখো একবার, 
ছোট্ট ঘরের কোণে আলো দিয়ে যায় বারবার, 
ও জানে কত যন্ত্রণার অশ্রু ঠুকরে কাঁদে
কত বেদনার সাক্ষী হয়ে আছে ও সবার মাঝে! 
তবু সে মিটমিটে আলো দিয়ে যায়। 


ও পাড়ার খুকি রোজ আসে তুলসী তলায়, 
 ছোট্ট প্রদীপ খানি হাতে, 
কত যত্নে আরতী করে মলিন হাসি মুখে। 
প্রতিদিনই তো এমনি আমায় করে প্রজ্বলিত
তবুও হয়তো মুছবে না ওর এই জীবনের ক্ষত। 

ওই তো সেদিন লোডশেডিং এ জ্বালিয়েছিল আমায়, 
অন্ধকারে ফাঁকা ঘরের শূন্য আঙিনায়। 
সবার সেদিন কাজের তাড়ায় ফিরতে দেরি হলে--
খুকি একা বসে থাকে অন্ধ দিদার কোলে, 
হঠাৎ করে কিসের শব্দে এগিয়ে গেল খুকি
ছোট্ট প্রদীপ আমি তার সদাই সঙ্গে থাকি, 


তাইতো সেদিন অন্ধকারে দেখলাম রক্তক্ষরণ! 
চিৎকার তার কেউ শোনেনি মুখে পট্টির বাঁধন, 
ফুঁপিয়ে আর গুমরে কাঁদার আওয়াজ খুবই কম, 
ছোট্ট প্রদীপ সাক্ষী আমি কি বা আমার দাম? 


দিদার ঘরে আওয়াজ এল "কোথায় আমার খুকি? 
লক্ষীটি মা এদিকে আয় অন্ধকারেই ঝুঁকি! "
তারপর যে কি হলো জানি নাকো আমি
 রক্ত জলে ভিজে গেছে আমার শিখা খানি। 


কত শতাব্দী কেটে গেল জ্বলবো আমি কবে? 
এই আধুনিক সমাজ আর কবে সভ্য হবে? 
তবুও আমি জ্বলবো আবার আছি প্রতীক্ষায়! 
জ্বালিয়ে দেব কলুষ সমাজ মহা কালিমায়। 
বাজবে আবার হাজার খুকির নূপুরের ধ্বনি, 
করবে তারা আরতি সব মায়ের আগমনীর।। 🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
ওরা হাঁটছে! 
     ✍✍✍ বিশ্বজিৎ কর 
সফদর হাসমি কিংবা বাদল সরকার, 
কত পথনাটিকার আলাপন! 
পথেই প্রতিবাদ, পথেই জীবন-মৃত্যুর সওদা! 
শাসকের পথনাটিকা :মৃত্যুমিছিল !
লাইভ টেলিকাস্ট -হাঁটছে তো হাঁটছেই..... 
কাঁধে সন্তান, মাথায় বোঝা, পথেই মাতৃত্বের গড়াগড়ি! 
পথের সব নবজাতক "পথিক"!
রেললাইনে ওদের রক্ত, রক্তাক্ত রুটি! 
না, ওরা আত্মনির্ভর হতে পারেনি!
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
কাগজের ফুল
✍✍✍ শ্রীজা দত্ত
অনিন্দ্য রোজ সকালে মর্নিং ওয়ার্ক থেকে ফেরার পথে একগুচ্ছ ফুল হাতে করে নিয়ে আসে। তিন্নি অনিন্দ্যর মেয়ে। মা মারা যাওয়ার পর থেকে অনিন্দ্যই নিজের হাতে মেয়েকে মানুষ করেছে। 
তিন্নি এখন বড়ো হয়েছে। বাবার ভালোমন্দের দায়িত্ব এখন তার ওপর। মা মারা যাওয়ার পর থেকে মায়ের অভাব কোনদিনই বুঝতে পারেনি। ১২ বছর হয়ে গেছে মায়ের মৃত্যুর। 
ঘর গুছোতে গিয়ে হঠাৎই তিন্নির মনে পড়লো কাল মায়ের জন্মদিন। ছুট্টে গিয়ে বাবাকে বলল- কাল মায়ের পছন্দের ফুল দিয়ে মায়ের ঘর সাজালে কেমন হবে বাবা? 
-খুব ভালো হবে। আর শোন! সাথে তোর মায়ের পছন্দের ফুল টাও আনিস কেমন! 
- কোন ফুলটা বাবা! 
- কেন " কাগজের ফুল ". . .
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
বসন্তের ছড়া 
✍✍✍ উমর ফারুক 
চেয়ে দেখি ওইদিকে 
শন শন বাতাশে 
ফাল্গুনী ডাক ছাড়ে 
চোখ দেখি ফ্যাকাসে

শিমুলের ফুল কুড়ায়
হাসিখুশি শিশুরা
মেঘ নেই রবি হাসে 
আয় কে যাবি তোরা! 

বাদলের সব জল   
ঝরুক এবার নদীতে 
ভরে যাক উপকূল
ফুল ফুটুক মাটিতে। 

বসন্তের সুভাস আসা   
সুর পাখিটি চেতন
মানুষের মনে ঠিক
দোলা দেয় যুগ নুতন।
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨

প্রবন্ধ অধিকার মানেই কি অগ্রাধিকার ?
~ রাজা দেবরায়


অনেক সময়ই শুনেছি আমরা এবং আগামী দিনেও হয়তো শুনবো - বিভিন্ন রাজ্যে শ্রদ্ধেয় 'নারী'দের বাসে, ট্রামে ইত্যাদিতে চড়তে কোন ভাড়া লাগবে না, বিনে পয়সায় সাইকেল দেওয়া হবে, ভবিষ্যতের জন্য কিছু বা ভালো পরিমাণ টাকা ব্যাঙ্কে বা ডাকঘরে জমা করে সহায়তা করা ইত্যাদি ইত্যাদি ।

"নারী-পুরুষ সমান অধিকার" প্রায়শই শুনি আমরা (যদিও ব্যক্তিগতভাবে মানুষ হিসেবে দেখাটাকেই শ্রেয় মনে করি) । এই বিষয়ে আন্দোলন, আলোচনা, সমালোচনা, চর্চা, বিশ্লেষণ ইত্যাদি দেখতে ও শুনতে পাই আমরা ।

কিন্তু সম্মানিত 'নারীবাদী'রা এই বিষয়ে কিছু বলেছেন বা বলেন কিনা এখনো পর্যন্ত কিছু শুনতে পাইনি আমরা । 'পুরুষ'দেরও অধিকার দেওয়ার জন্য আন্দোলন করতে দেখতে পাইনা আমরা । এরকম একতরফা অধিকার বা 'অগ্রাধিকার' নিয়ে কখনই কেউ কিছুই বলেন না । তখন "সমান অধিকার" কথাটা "অগ্রাধিকার"-এর যাতাকলে পিষে যায় ।

কিন্তু ভাবুন ব্যাপারটা যদি উল্টো হতো ? প্রতিবাদের আস্ফালনে জীবন ওষ্ঠাগত হতো কি তখন, কত কিছুই কি শুনতে হতো তথাকথিত "পুরুষ" ধ্বজাধারীদের ? সমালোচনা, আন্দোলন কত কিছুই কি আমরা দেখতে পেতাম তখন ?
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
এক গ্রামের কথা
ছোট গল্প
✍✍✍ আব্দুল রাহাজ 
গ্রামটির নাম ছিল সুবর্ণপুর। প্রকৃত মায়ের কোলে সবুজ গাছপালার ভিতর এই ছোট্ট গ্রাম বিরাজ করছে। গ্রামের দুই পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা নদী। এখানকার মানুষেরা খুব সহজ-সরল প্রকৃতির। এখানকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী। এই গ্রামে দুই সম্প্রদায়ের বাস হিন্দু-মুসলিম সবসময় সম্প্রীতির বার্তা বহন করে চলেছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় সবুজ গাছপালা আবৃত এক অপরূপ দৃশ্য। গ্রামটিতে একজন জমিদার ছিলেন নামটি তার হরি সিং। খুবই শান্ত দয়ালু প্রকৃতির লোক ছিলেন। ভাববেন সেইসব মানুষের কথা। গ্রামটিতে অবশ্য আধুনিকতার আশা দেখতে পাননি জমিদার সেই আলোয় আনার চেষ্টা করছে। সার্বিকভাবে অপরূপ দৃশ্য সজ্জিত হলেও কোন উন্নতি হয়নি। একদিন গ্রামের মানুষ চাষাবাদে লাভবান হলেন খুবই আনন্দিত সবাই গ্রামে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। হঠাৎ জোরকদমে বৃষ্টি ঝড় শুরু হয় আমার দিন ধরে চলে। এদিকে সুবর্ণরেখা নদীতে বাঁধ ভেঙে গেলে বন্যা দেখা দিল কত বড় ভাল মানুষ দেখেন জমিদার তিনি তাদেরকে প্রাসাদে আশ্রয় দিলেন। এদিকে গ্রামের অপরূপ দৃশ্য নদীতে সলিল সমাধি রূপে মিশে গেল। একদিন গ্রামের মানুষ সবাইকে ডেকে নিয়ে আলোচনায় বসলো জমিদার আমি গ্রামের উন্নতি করতে চাই সবাই জমিদারের কথায় একমত হলেন। জমিদার বলেন নদীতে বাঁধ দিতে হবে টানা ছয় মাস এ কাজ করার পর বাঁধদেওয়া শেষ হল। এরপর জমিদার গ্রামের রাস্তাঘাট পানীয় জলের ব্যবস্থা বিদ্যালয় বিদ্যুৎ সার্বিক উন্নতি ঘটাতে লাগলেন সেখানকার নতুন প্রজন্মের মানুষেরা উন্নতিতে শামিল হলেন। জমিদার গ্রামটিকে আধুনিকতার মধ্যে এনে দিলেন।গ্রামটির অপরূপ মায়া বিশ্ব প্রকৃতির কোলে সার্বিকভাবে জেগে উঠলো এবারে যেন দূর থেকে দেখলে মনে হয় মায়াবী দে। এইভাবে গ্রামের সার্বিক চিত্র ফুটে ওঠে।এরপরে গ্রামের কথা বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। একদিকে পর্যটনশিল্প বাড়তে থাকে ফলে গ্রামের কিছু মানুষ এই পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। এইভাবে গ্রামটিতে উন্নতি সামাজিক সংস্কৃতি পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়তে থাকে মেলবন্ধন বাড়তে থাকে সম্প্রতি এক অটুট বন্ধন দেখা যায় এটাই ছিল এক গ্রামের কথা।
🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨🌨
© Sk Asad Ahamed 

Editor, উপকণ্ঠ
Gangpura, Purba Medinipur
Date:- 10/06/2020

No comments:

Post a Comment