"উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ"
(ওয়েব ম্যাগাজিন)
প্রকাশ কাল:-07 ও 08/06/2020,
রবিবার ও সোমবার এর দুটি পাতা এক সঙ্গে
সময় :- দুপুর 12 টা
সভাপতি:- অরুণ কুমার ঘড়াই
সহঃ সভাপতি:- সেক আব্দুল মজিদ
সম্পাদক এবং
প্রকাশক:- সেক আসাদ আহমেদ
যুগ্ম সহঃ সম্পাদক :-
১) ইমরান খাঁন
২) শেখ মণিরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় দপ্তর ::-
গ্রাম:- গাংপুরা ডাকঘর:- সাগরেশ্বর
থানা:- রামনগর জেলা:- পূর্ব মেদিনীপুর
সূচক-৭২১৪৪৬ পশ্চিমবঙ্গ ভারত
মুঠোফোন:- 9593043577
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা ফেসবুক আইডি লিঙ্কে ক্লিক করুন আর যুক্ত হন আমাদের সাথে
Click here
উপকণ্ঠ সাহিত্য পত্রিকা এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপতে যুক্ত হন লিঙ্কে ক্লিক করে
Click here
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
শ্রী কৃষ্ণ দে এর অনুকাব্য
জঙ্গল কাব্য -৮
পৃথিবীর সংজ্ঞা জানতে চাও?
জিজ্ঞেস করো
যে পাতার খবর রাখে
যে ফুলের খবর রাখে
যে ফলের খবর রাখে
যে জানে সুরের ঠিকানা
যে জানে ধূলোর পরিচয়
আমরা তো শুধু চিনি
বইয়ের পাতা
ছড়ানো কিছু অক্ষর
আর রঙ মেশানো কিছু কাহিনি।
জঙ্গল কাব্য -৯
দেখে দেখে বয়স্ক পাতাগুলোয় হাত দেয়।
ওরা জানে-
পাতা বেঁধে
পাতায় রোদ মাখিয়ে
এক -দুটো শনিবার ঠিক পেরিয়ে যাবে
কচি পাতারও একদিন বয়স হবে
জল খেয়ে
বাতাস খেয়ে
আলো খেয়ে
কচি ডালও একদিন যুবক হবে
ফল দিবে
ধূনো দিবে
প্রতি শীতে বস্তা বস্তা শুকনো পাতা দিবে
আবারও অনেক অনেক শনিবার পেরিয়ে যাবে।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
ক্ষমা জলে অনন্ত স্মৃতি
প্রশান্ত মাইতি
উত্তাল শব্দ স্রোতের ভেতর আমি
শুনতে পাচ্ছি শুয়ে তোমার কান্না
#
মায়ার শেকলে জড়ানো ভালোবাসা
কোষে কোষে গাঁথা উন্মাদ ব্যথাস্মৃতি
তোমার চোখ বেয়ে স্পর্শ করে মাটি
#
আর কিছু পর সজ্জিত বিছানায়
পৌঁছে যাবো আরামে কাঁধে চড়ে
তারপর ...........
ধীরে ধীরে গ্রাস করবে আগুন
পারবেনা নেভাতে সে আগুন অশ্রুজলে
#
ক্ষমাজলে ধুয়ে ফেলো আমার অনন্তস্মৃতি ।।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
একটি নদীর আত্মকথা
-------মিঠুন রায়
নদীর জলেও এখন খুঁজে পাইনা জীবনের অস্তিত্ব
নদী ক্রমশ: দূরে সরে যাচ্ছে ফেনিল বেগে।
স্বপ্নের মেদুরগুলি আটকে আছে জমাট বাধা বালিতে।
বুক ভরা কান্না রাশির স্তূপ তৈরি হচ্ছে চরের বুকে
নদীগর্ভের ভাঙনের ইতিবৃত্তের সন্ধান করেনা কেউ।
জোৎস্না ভরা বর্ণিল বেগে একদিন হয়তো শঙ্খচিলরা আশ্রয় খুঁজে নেবে নদীর বুকেই।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
উপকণ্ঠ প্রাত্যহিক বিভাগ
বিভাগ : কবিতা
শিরোনাম : আমি ও আমার কবিতা
কলমে : শুভঙ্কর দাস
আমি চিরন্তনের জন্য ছেড়ে দিতে চাই কবিতা লেখা,
কিন্তু কবিতা আমায় ছাড়ে না।
কবিতা আমার শরীরে রক্তের প্রতিটি ফোঁটায় ফোঁটায় টগবগ করে ফুঁটছে আর বলছে -
" কি নাগর এতো সহজেই যদি ছেড়ে দিবি
তবে কেন ঘর বেঁধেছিলি মোর ছন্দবন্ধন "?
শৈশব কৈশোর থেকে যৌবনের কত চাওয়া পাওয়া
ফুটপাথের ডাস্টবিনে ফেলে,
মনে আছে সেই কবে
আমায় চাদরের মতন করে নির্বিধায় জড়িয়ে ধরেছিলিস।
আমি বাল্য বিবাহিতা বালিকার মতো
অস্পষ্ট দুচোখ তুলে নির্বিশেষে তাকিয়েছিলাম।
অতোশতো না বুঝে বিশ্বাসের দুই হাত বাড়িয়েছিলাম,
কিন্তু যেই আজ, তোমার সব হয়েছে কাজ
অমনি আমার প্রয়োজন ফুরালো ?
আমি ছেড়ে দিতে চাই কবিতা লেখা,
কিন্তু কবিতা আমায় ছাড়ে না, দুরারোগ্য ক্যানসারের মতন।
কবিতা আমার বুকের ওপর গড়েছে এক আশ্রম,
বার বার আমায় বলছে - " হে কবি দেখো চারিদিকে মানুষের
দুঃসময়, এমন দুর্দিনে আমি তোমার প্রেমিকা আর প্রেমিক হিসেবেই
আমি তোমাকেই চাই "।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
জীবন মানে ভাঙ্গা-গড়া খেলা
কাঞ্চন সরকার
---‐------------------------------------------‐‐‐‐‐-‐--------------
জীবন মানে সে যে এক ভাঙ্গা-গড়া খেলা।
এককূল ভাঙ্গে অপরকূল গড়ে অদ্ভুত তার লীলা॥
আবেগের তাজমহল বাস্তবের ধুলায় মিশেছে।
পথভ্রান্ত পথিক আজ সঠিক পথ খুঁজে চলেছে॥
নানা পথের নানা কথাই মন আজ মেতেছে।
দুঃখ-হাসিতে সে আজ মন মালা গেঁথেছে॥
ক্লান্ত হবার পূর্বে পথিক মাথায় রেখো এটা।
জীবন নদীতে ঝড় উঠলেও বয়তে হবে নৌকা॥
সুখ-দুঃখ নিয়েই জীবন এটা ভুললে চলবে।
চক্রাকারে দুঃখ শেষে সুখ যে আবার ফিরবে॥
অন্ধকারের ঘনঘটা যখন মনকে গ্রাস করে।
প্রভাতের আলোয় সেতো নতুন ভাবে ছুটে চলে॥
জানি তুমি আজ বিচলিত ঝড় হাওয়ার তাণ্ডবে।
দুর্যোগ শেষে প্রকৃতির মত নতুন রূপে তুমিও সাজবে॥
জানি আজ তোমার মন-প্রাণ প্রবল ব্যথায় ব্যাথিত।
জগতের সব দুঃখ রাশি আজ তোমার বাসায় স্থিত॥
একটু তাকিয়ে দেখো তুমি নয়ন দুটি মেলে।
পিতৃমাতৃ স্নেহ-ভালোবাসা তোমার সর্বঅঙ্গে জড়িয়ে॥
কি ভাবছেন ছেলেটা বকেছে,নির্ঘাত প্রেমে প্রত্যাখিত\অপমানিত।
আজ্ঞে না এটা তাদের জন্য যাদের মনে আজ আত্মহত্যার চাঁদ উদিত॥
একজন প্রেমিক/প্রেমিকার দায়িত্ববোধ ভাবছো দেখাবে।
অদ্ভুত মশাই কি করে তুমি সন্তানের দায়িত্বটা ভুললে॥
তোমার জন্য রাশিরাশি ভালোবাসা পরিবার আকাশে উদিত।
আর সেই তুমি কালো মেঘে সে আকাশ ঢাকতে ব্যস্ত॥
মানি-বুঝি একথা তুমি পেয়েছ অনেক ব্যথা।
তোমায় কিন্তু বাঁচাতে হবে বাবা-মায়ের ভালোবাসার মূল্যটা॥
দেখছো তুমি নানা সমস্যা নেইকো তার সমাধান।
কিন্তু সমস্ত সমস্যার সমাধান এ জগতেই বিদ্যমান॥
সমস্যা ও তার সমাধান চলে একই সাথে ।
ধৈর্য ধরো,শান্ত হও তুমি নতুন পথ খুঁজে পাবে॥
সময় কে তুমি সম্মান করো সে সময় বদলে দেবে।
প্রকৃতি মা নতুন স্নেহে তোমার জীবন দেখো সাজাবে॥
আত্মহত্যা মহৎ কাজ নয় নেই তাতে কোন উদারতা।
তোমার আজ প্রয়োজন আত্ম উপলব্ধি ও আত্মচেতনা॥
তাকিয়ে দেখো হে সৈনিক নয়ন দুটি মেলিয়া।
তোমার দিকে চেয়ে আছে তোমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা॥
বাস্তবটা অনেক সুন্দর তাকে সাজাতে শেখো।
আত্মহত্যার করবে না নিজেকে ভালোবাসো॥
নিজের জন্য বাঁচ, পরিবারের জন্য বাঁচ।
বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য বাঁচ॥
আর না হয় সব শেষে আমার জন্য বাঁচ।
বাঁচতে তোমায় হবে না হয় লড়াই করেই বাঁচা।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
উপকণ্ঠ প্রাত্যাহিক বিভাগ
"" আঁধারের রাত ""
- চিরশ্রী কুণ্ডু ( অবন্তিকা)
সেদিন রাতে তুমি খুলেছিলে মোর জীবনের দার ,
বাহির পানে শ্রাবণের ধারা দুটি চোখে অন্ধকার
বেদনা হয়ে মোর রাতে আসো স্বপ্নে রোজ ,
নীরবে চাহিয়া রয়েছে মুখপানে রোজ থমথমে সুরে
তুমি আমার আধার আলো মোর জীবন সরণি ,
তুমি আমার কাব্যের ঘরে একলার অনুরাগ ভেজা আঁখি
নিভিয়ে দিয়ে গেছো সব দীপ ,জ্বালিয়ে দিয়ে অন্ধকার ,
মুছে গেছে সেই ছন্দ জীবনের গভীর আনন্দের বাহার।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
উপকন্ঠ প্রত্যহিক বিভাগ
কবিতাঃ "জীবনের রং"
লেখকঃ জুয়েল রূহানী
তারিখঃ ৭/৬/২০ইং রবি।
জীবনের রং বিচিত্রময়
ক্ষণিকের সংসারে,
আয়েশপূর্ণ সময় কাটায়
মেতে রং বাহারে!
রঙ্গ লীলায় মত্ত হয়ে-
জীবনের রং বদলায়,
ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে
নিয়তীর ইশারায়!
বহুরূপী এ জীবনে-
নানা রঙ্গে ঢং নয়,
কষ্ট রঙ্গে জীবন সাজাও-
রঙ্গীন এ দুনিয়ায়।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
গ্ৰামবাংলার পরিবেশ (প্রবন্ধ)
গ্ৰামবাংলার পরিবেশ বিশ্ব মায়ের কোলে এক অনন্য প্রতীক হিসেবে সবার সামনে বিরাজ করছে। গ্ৰাম্য মানুষের সরলতা সবুজ রাঙানো গাছপালায় ভরে ওঠে প্রকৃতির মা। বিশ্বের কাছে এই মহামায়া পরিবেশ রূপকথার দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। বাঙালির কাছে এই সৌন্দর্য পূর্ণ পরিবেশ এক বড়ো পাওনা যা আজীবন কাল থেকে প্রকৃতি তার স্বংয়মহিমায় ফুটে উঠেছে । বাঁশঝাড়, চষা মাটির গন্ধ , সবুজ ঘেরা বন মেঠো পথ সবই যেন অনন্য রূপে লাবন্যে ফুটে ওঠে। ঋতু পর্যায়ক্সমিক পরিবেশ গ্ৰাম্য পরিবেশ কে তুলে ধরে রূপময় জগৎ এর এক উজ্জ্বল নক্ষত্র রূপে। বাঙালির মননে চিন্তনে এই পরিবেশ গাঁথা রয়েছে চির বসন্তের কাল ধরে। গ্ৰামের ছেলেমেয়েরা যখন জল ছিটিয়ে সাঁতার কাটে একসঙ্গে ধূলো উড়িয়ে খেলা করে প্রকৃতির মা তাদের খেলাকে অনন্য রূপে তুলে ধরে। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে সবুজ ভরা ফসল দূর থেকে দেখলে মনে হয় সবুজ রাঙানো গ্ৰামবাংলা উজ্জ্বল লাবন্যে ফুটে উঠেছে এই প্রকৃতির কোলে। মাঠ ভরা পাকা শস্য যেন প্রকৃতিকে দেয় সোনার পরিবেশ সেখানে হয়ে ওঠে আমাদের সোনার বাংলা যা প্রতিটি বাঙালি উপভোগ করে মনে প্রানে। সূর্যের উজ্জ্বল আলোর রশ্মিতে বৈচিত্র্য ফুটে ওঠে পরিবেশে যা অনন্য করে তোলে আমাদের প্রকৃতির মাকে। সূর্যের নিস্তেজ ক্ষীণ আলোয় ফুটিয়ে তোলে মনোরম সৌন্দর্য পূর্ন পরিবেশ যা ভালো লাগে প্রতিটি সহজ সরল মানুষের কাছে। এইভাবে আদি দিগন্তের পথ ধরে প্রকৃতির মহামায়া মনোরম দৃশ্য গ্ৰামবাংলাকে তুলে ধরেছে এক অনন্য রূপের অধিকারী হিসেবে যা সবার কাছে অনন্য হয়ে উঠেছে উজ্জ্বল প্রতীক রূপে।
"উজ্জ্বল লাবন্যে ভরা আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ
তাইতো বাঙালি চায় গ্ৰামবাংলা পরিবেশ"
নাম: আব্দুল রাহাজ
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
প্রাত্যহিক বিভাগ-
# কবিতা
খোলা খামে মোড়া
অমাবস্যার সাথে আমি"
----------------------------------------
কবি- ঈশিতা চৌধুরী
.......অমাবস্যার মেঘলা নিকষ কালোয়, আলোয়,
ঐকান্তিক নীরবে ,কিছুক্ষণ..... অবচেতনের অন্তরালে গর্জে ওঠা দাবদাহের মতো প্রবল ,
অথচ দৃঢ় প্রত্যয়ী,
যেন একবুক সুগন্ধির মোহে,সে দীর্ঘ এক চন্দ্রহীন মৌনানী সম্মোহন .....
...... অভ্যাসে ডুবে যাওয়ার ঠিক আগে, এক পশলা মেঘাতুর মন নিয়ে মনে মনে মোহনায় অবগাহন !!
রক্তের অবসাদে, নীল ধ্রুবতারার খোঁজে, উত্তরা চোখ যেমন বৃষ্টি ভেজা,
অধরের লালে, অন্ধ আকাশ, তেমনি নিঃশব্দ প্রতিবাদে নিরুপম, আত্মহারা......
.......আত্মহারা জন্ম মুহূর্তের সে প্রথম অবলোকন,
হৃদয়ের তারে, অনাবিল অজুহাত, অমোঘ আকর্ষণে আত্মসুখে অবকাশ সুমোহন.......
একান্ত অবশেষে,
শেষহীন অনুভবে রইল অনির্বান............ শেষের কবিতা,
স্পর্শ অনুমানে আবেগ, আর
তোমার আমার খোলা বারান্দার সুখে,
উষ্ণ গোপন অনুরাগের সে আকণ্ঠ মধুর
আশ্লেষী অমাবস্যাযাপন।।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
****** **Yes sir******
@@প্রদ্যুৎ দাস
"ইয়েস স্যার" গায়ের লোমগুলি খাঁড়া হয়েছে?? কি হয়নি তো? হবে হবে। সহজে কি খাঁড়া হয়।ইয়েস স্যার তো যে কেউ বলতে পারে,এর মধ্যে অাবার কি এমন অাছে যে কথায় কথায় লোম খাঁড়া হয়ে যাবে।পথে চলতে চলেতে কত বলেছি কই তা হয় না তো!কোম্পানিতে কাজ করার সময় কত বলি "ইয়েস স্যার"। কোম্পানির ম্যানেজার যখন বলত রাজু এক কাপ চা এনে দিতে পারবে? অামি তৎক্ষণাৎ বলে উঠি " ইয়েস স্যার "; কেন পারব না - এই তো দোকানে যাব অার নিয়ে অাসব।অামার লোমগুলি বরং চুপচাপ বসেই থাকে।কোন কথা বলে না; শুধু বাতাস অনুভব করতে পারে অার মাঝে মাঝে চুলকায়।এই দুটোই তার প্রধান কাজ। মাঝে মাঝে মনে হয় এগুলো রামদেব বাবাজীর কোন সস্তার পতঞ্জলি মলম লাগিয়ে যদি তুলে দেওয়া যেত তাহলে ভালোই হত।তাই বলে খাঁড়া হওয়ার কথাটি মেনে নেব না।
নেবে রাজু মেনে নেবে।তোমার ওই মোটর কোম্পানির কথা নয় রে বাবু।এই ভারতীয় বীর সেনা কোম্পানি কমান্ডারের অর্ডারের প্রত্যুত্তর ।অার সামনে চীনা সৈনিকরা দাঁড়িয়ে।ভারতীয় সেনারাও একদম মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।গায়ের লোমগুলি কিছু বলছে রাজু? একটু একটু সাড়া দিচ্ছে তো! দেবে দেবে । শুনো তবে....
" চীনা সেনারা ভারতীয় এলাকার দিকে পা বাড়াচ্ছে, সৈন্য সংখ্যা বাড়িয়ে চলছে নদীর ওপারে।এপাড়ে অামরা দাঁড়িয়ে।রাতারাতি চিনারা যুদ্ধং দেহী মনোভাব নিয়ে এগিয়েছে।ভারতীয় সেনারা সামনে বুক চিতিয়ে এগিয়ে চলছে। পেছনে তাকাবার অবসর নেই।১৮২ নং কোম্পানি কমান্ডার সৈনিকদের মনোবল বাড়াবার জন্য বলছেন...." হে মোর বীর জোয়ান,হে ভারত মাতার সন্তান, তোমাদের সামনে অাজ মাতাকে রক্ষা করার সময়,শত্রু পক্ষ এগিয়ে অাসছে,তোমরা মা কে রক্ষার করার জন্য তৈরি তো? *বন্দে মাতরম, বন্দে মাতরম, " ভারত মাতা কি জয়, জয় মা দূর্গা, জয় মা কালি.......নারায়ে তকবির............ জয় জোয়ান..... জয় গোর্খা..... হর হর মহাদেব..........চাহে কুচ ভি হো যায়েগা এক ইঞ্চ্ জমিন নেহি ছোড়েঙ্গে কিসি ভি হালত মে; অাপলোগ্ তাইয়ার হো??*
জোয়ানদের মুখ থেকে একটিই বাক্যই বের হচ্ছে"........* *"ইয়েস স্যার,ইয়েস স্যার, ইয়েস স্যার*
অাপলোগ মা কো জানসে জাদা পেয়ার করতে হো??
*ইয়েস স্যার*
মা কো রক্শা করনা চাহাতে হো??
*ইয়েস স্যার, ইয়েস স্যার, ইয়েস স্যার*
অাপলোগ জান দেনে মে তাইয়ার হো???
* *ইয়েস স্যার,ইয়েস স্যার,ইয়েস স্যার*
রাজু তোমার লোম খাঁড়া হয়নি??
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
মজার কবিতা
( পুব বাংলার জায়গাগুলি নিয়ে)
- অগ্নিমিত্র ( ডঃ সায়ন ভট্টাচার্য)
ঢাকা আছে, খুল না
উড়ে গেলে পাবনা!..
সিলেটে লিখেছ সব?
নেই কোনো ভাবনা...
রং পুরে দেওয়া আছে
রাজশাহী যে,
চটপট করে চলো
চাটগাঁয়েতে!!
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
সবুজায়ন
তাপস কুমার বেরা
এখানে ওরা সেদিনও পেয়েছে
ক্ষেতভরা ফসল |
আজ শুধু অট্টালিকা ; আর
একটি একটি করে দোকান উঠছে গজিয়ে |
রাতে ঝলমলে সোনালী আলোয় |
এইভাবে গ্রাম নগর |
লোকালয়ে ছেয়ে যায় গ্রাম-প্রান্তর |
বিধাতার দেওয়া একভাগ ভূমি -
সেখানেও নেই মানুষের সম্পূর্ণ দখলী সত্ত্বা |
তবু পৃথিবীকে সে উদ্ভিদশূন্য করে দিয়ে
বেঁচে থাকতে চায় |
বাসভূমি বৃদ্ধির সাথে
পাল্লা দিয়ে ঘটে জনাধিক্য |
নিঃশব্দ মৃত্যুও নেমে আসছে পৃথিবীর বুকে |
নিষ্কৃতি ?
সবুজের ছড়াছড়ি হোক তবে দিকে দিকে ||
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
সায়ন্তনী তোমাকেই
কাশীনাথ সাহা
তোমাকে বলছি সায়ন্তনী শুধু তোমারই জন্য
অদৃশ্য মন ভাঙচুর হয় যখন তুমি অরণ্য!
স্কুলের বেঞ্চে না বলা কথায় বলেছি হাজারবার
বিস্ময়ে তুমি শুধু ছুঁয়েছিলে ইংরেজি গ্রামার!
বুঝতে চাওনি কি বলতে চাই নাকি না বোঝার ভান
আমি দেখেছি ওষ্ঠ জুড়ে খেলছিল অভিমান।
চোরাচোখে আমি গন্ডী ভেঙেছি তখন তুমি বারো
বুঝতে চাওনি বৃষ্টির জলে ভেসেছে আমার ঘরও।
ভেসে গেছি আমি অজস্রবার নদীর স্রোতটি ছুঁয়ে
তীরে দাঁড়িয়ে নীরবে তুমি দেখেছিলে বিস্ময়ে।
আজ তুমি নেই নদীটিও নেই হারিয়ে গিয়েছে সব
অন্য সাগরে দেখছি তোমার বেদনার কলরব।
তবুও আজ এই নদী চরে জেগে আছে কিছু বাণী
কথা নেই তাতে, সুর নেই, শুধু স্রোতটির সন্ধানী।
সেই যে পুজোয় নবমীর রাতে মাদলের কথা বলা
হিমেল বাতাস সাজিয়ে ছিল পদ্মফুলের মালা
দু-পাশে ভয় দুজন হেঁটেছি কথা ছিল নাতো মুখে
প্রতিমার মুখে তোমার আদল নিয়েছিলাম দেখে।
তুমি বলবে বানানো কথা পুরোটাই অভিনয়
কিশোর বয়স বুকের ভিতর ছলাৎ ছলাৎ ভয়।
বিশ্বাস করো তোমাকে বলছি তোমাকেই তুমি শোন
সেই কথাটাই বলতে চাই বলিনি যা কক্ষনো।
দুই পারে আজ দু'জন দাঁড়িয়ে মাঝখানে বয় নদী
বলতে পারি, মাঝখানে ওই স্রোতটি সরাও যদি!
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
জামাই ষষ্ঠী
শেখ মনিরুল ইসলাম
জানিস ভাই......
বারো মাসে তেরো পর্ব
এই বাঙালীর উৎসব
আজ শুধু শাশুড়ির গর্ব
জামাই ষষ্ঠীর এই পর্ব
সে কী আরেক দৃশ্য
জামাই শাশুড়ির রহস্য
নতুন নতুন পোশাকে
জামাই বরণ সোহাগে
বছর শুরু জেষ্ঠ্য মাসে
জামাই ঘরে ঘরে আসে
রুই, কাতলা, ইলিশ,
থালায় যেনো দিস
স্বাদে ভরা সরষে বাটা
খেতে গেলে গলায় কাঁটা
ও শাশুড়ি ও শাশুড়ি
একি দিলে তুমি সাজা
ঘরে ডেকে জামাই বরণ
একি দিলে খাবারে মরণ
করলে তুমি ইচ্ছে পূরণ
ষষ্ঠী দিনে একি আবরণ।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
বাচ্চা বাংলা পারে না !
~ রাজা দেবরায়
যেসব অভিভাবকরা বলেন “আমার বাচ্চা তো একদম বাংলা বোঝে না”, বাড়িতে কিন্তু বাংলাতেই কথা বলেন । আসলে বাংলা ভালো পারেনা কথাটার মধ্যে একটা ‘আভিজাত্যের’ ব্যাপার আছে বলে মনে করেন । কথাটাও বলেন বেশ গর্বের সাথে ।
আসলে এইগুলো কর্পোরেটদের সৃষ্টি । অনেক আগে থেকেই বাঙালিদের মেধা ও প্রতিভাকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকতো অ-বাঙালিরা । পরবর্তী সময়ে কর্পোরেটরা একদম পূর্ণ মাত্রায় ছক কষে নেমেছে । অনেকটা সফলও হয়েছে বলা যায় বিশেষত তথাকথিত সম্ভ্রান্ত পরিবারের মধ্যে ।
বাংলাকে ধ্বংস করার চেষ্টা জারি থাকলেও একটা দেশ বাংলা ভাষার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বলে এবং বাঙালিরা সচেতন বলে এখনো সেই চেষ্টা পুরোপুরি সফল হচ্ছে না কর্পোরেটদের ।।
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈
সোহিনী মুখার্জী এর কবিতা
কোনো এক ক্ষান্ত বর্ষণের বিকেলে
কিংবা কাকডাকা ভোরে,
অফিসের ব্যাস্ততার ফাঁকে
অথবা রাতে নিঃসঙ্গতায় তারাদের ভিড়ে,
চলতি পথে ,
মুহূর্তের জন্য সত্যি হয়ে যাওয়া সেই প্রেম
তার এলোপাথাড়ি নিশানী দেখতে দেখতে
স্মৃতির জীবন্ত হয়ে ওঠা,
খরস্রোতা তিস্তার মতো বইতে থাকে
রন্ধ্রে রন্ধ্রে জেগে ওঠে অনুভূতি,
আর তারপর শেষ করে যাওয়া নিঃশ্বাস
সাড়া ফেলে জানায়,
একদিন যে শ্রাবনে ময়ূরী পেখম তুলে
নৃত্যে মত্ত হতো,
সেই ময়ূরী আর যে নেই,
শুধু আছে দৃঢ় কালো শ্রাবনের ঘনঘটা।।
@সোহিনী মুখার্জী
🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈🌈

No comments:
Post a Comment